January 22, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Monday, November 8th, 2021, 2:09 am

কক্সবাজারে আটকা পড়া পর্যটকদের চট্টগ্রামে পৌঁছে দিচ্ছে পুলিশ

ফাইল ছবি

তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য গণপরিবহন বন্ধের কারণে কক্সবাজারে দুর্ভোগে পড়া পর্যটকদের বন্দর নগরী চট্টগ্রামে পৌঁছে দিচ্ছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ।

ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেছেন, সাতটি বাসে ২৮৮ জন পর্যটককে পুলিশ চট্টগ্রামে পৌঁছে দিয়েছেন। ফিরে যাওয়ার মতো তেমন বেশি পর্যটক আর পাওয়া যাচ্ছে না। এরপরও পুলিশের বাস প্রস্তুত আছে। যারা যাবে তাদের পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।

শনিবার বিকেল ৩টায় কক্সবাজার পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কক্সবাজার জেলা পুলিশের সহায়তায় নিজস্ব পরিবহনে পর্যটকদের বিনা ভাড়ায় চট্টগ্রাম জেলায় পৌঁছে দেয়া হবে। বিজ্ঞপ্তিতে দুর্ভোগে পড়া পর্যটকদের পুলিশ লাইনসে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়।

জেলা পুলিশের পেজে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, যে সমস্ত পর্যটক কক্সবাজারে বেড়াতে এসে যেতে পারছেন না তাদেরকে জেলা পুলিশের নিজস্ব পরিবহনে বিনা খরচে চট্টগ্রাম পর্যন্ত পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, যারা ফিরতে ইচ্ছুক তাদের কক্সবাজার পুলিশ লাইনে এসে যোগাযোগ করতে হবে। সেখানে তাদের সহযোগিতা করার জন্য আমাদের লোকজন রয়েছেন।

কক্সবাজার বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ জানান, গণপরিবহন বন্ধের বিষয়টি জাতীয় ইস্যু। এ ব্যাপারে সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্ত আসার কথা। এরপরও কোনো অসুবিধায় পড়া পর্যটকরা প্রশাসনের সহযোগিতা চাইলে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

ফেডারেশন অব ট্যুরিজম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার বলেন, হঠাৎ দূরপাল্লার বাস বন্ধ হওয়ায় পর্যটকরা চরম বেকায়দায় পড়েছেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরাও। তিনি বলেন ১৫ থেকে ২০ হাজারের মতো কিছু পর্যটক কক্সবাজারে ভ্রমণে রয়েছেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাদের জন্য হোটেল ভাড়া ৩০ ভাগ ছাড় দেয়া হয়েছে।

ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন কক্সবাজারের সভাপতি আনোয়ার কামাল জানান, কক্সবাজারে বর্তমানে পর্যটক নেই বললেই চলে। কিছু পর্যটক রয়েছে। তারা নিজেদের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে।

কক্সবাজারের ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিললুর রহমান জানান, পর্যটক আটকা পড়েনি। কিছু পর্যটক নিজেদের ইচ্ছাতেই ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর যারা ফিরে যেতে চায় তাদের জন্য জেলা পুলিশের মাধ্যমে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। যারা রয়েছেন তারা নিরাপদে রয়েছেন।

—ইউএনবি