October 3, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Wednesday, August 17th, 2022, 7:49 pm

কেকের জনপ্রিয় গান নিয়ে আসছেন আসিফ

অনলাইন ডেস্ক :

বাংলা গানের যুবরাজ আসিফ আকবর। শিগগিরই নতুন গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি। এবার তিনি গাইলেন হিন্দি গান। প্রথমবারের মতো হিন্দি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। সদ্য প্রয়াত বলিউড গায়ক কেকের গাওয়া ‘তু জো মিলা’ গানটি নতুন করে গেয়েছেন আসিফ।এটি সালমান খানের সুপারহিট ‘বজরঙ্গী ভাইজান’ সিনেমার গান। এই তথ্য নিজেই জানালেন আসিফ আকবর।এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে গানটির কথা বলতে গিয়ে আসিফ লেখেন, ‘কুমিল্লা গুলবাগিচা স্কুলে একজন মহীয়সী নারীর সান্নিধ্য পেয়েছিলাম। তিনি আমার শিক্ষিকা প্রয়াত শ্রদ্ধেয়া শ্রীমতি কল্যানী সেন গুপ্তা। ক্লাস থ্রি থেকে ফাইভ পর্যন্ত তিনি আমাকে টার্গেট করেই হামদ নাত দেশাত্মবোধক গান, লালন রবীন্দ্র নজরুল কোন কিছুতেই ছাড় দেননি। কল্যানী আপা ছিলেন কবি নজরুল ভক্ত। শৈশবের মেমোরীতে ওঁর চোখ আর চুলে আমি নজরুলকে মেলাতেই ভালবাসি। তিনি চাইতেন আমি কালচারে থাকি, আমার মন ক্রিকেটে। চাপে পড়ে যতটুকু ট্রেনিং পেয়েছি, তাতেই আজো ধন্য।দিন বদলেছে, গায়ক হয়েছি, সবচেয়ে দূর্বলতম শিক্ষায় সর্বোচ্চ সফলতা আল্লাহ দিয়েছেন,পা মাটিতেই রাখি। বেগমের সাথে প্রেম চলাকালীন ইনিংসে ম্যায়নে পেয়ার কিয়া সিনেমাটা দেখি, সালমান খান আর ভাগ্যশ্রীর প্রেমটা যেন আমার আর বেগমের প্রেমের প্রচ্ছায়া। সব গানই শুনি, হিন্দী প্রেমের গান একটু বেশীই শুনতে হতো অভ্যন্তরীন প্রেমের কুফল বা সুফল হিসেবে। ঢাকার অভিজাত ক্লাব, গায়ে হলুদ, জন্মদিন, সুন্নতে খাৎনাসহ সামাজিক অনুষ্ঠানে অনেক গেয়েছি হিন্দী গান।ভারতীয় গায়ক শ্রদ্ধেয় কেকে মারা গেলেন কদিন আগে। দেশসেরা কম্পোজার মানাম আহমেদ ভাই আমাকে বহুদিন আগে এই ভদ্রলোকের কণ্ঠের কথা বলেছিলেন। নিজের ব্যস্ততায় খুব একটা গান শোনা হয়নি উনার। তিনি মারা যাওয়ার পর গবেষণা শুরু করেছি। যতই শুনেছি ততোই মন্ত্রমুগ্ধ হয়েছি। কখনো হিন্দি গান রেকর্ড করিনি। এবার করলাম। বিপন্ন শিশুদের পাশে জান দিয়ে থাকার এই গল্পটি অনেক ভাল লাগে আমার। ভুল ত্রুটি মার্জনীয়। কেকে সাহেবকে ট্রিবিউট করে গানটি গেয়েছি। কম্পোজিশান করেছেন জাবেদ আহমেদ কিসলু। সব ঠিক থাকলে আজই হয়তো মুক্তি পাবে গানটি। দি গ্রেট কেকে, বাংলাদেশ থেকে আপনার প্রতি আমার ক্ষুদ্র শ্রদ্ধার্ঘ্য, আপনি মহান শিল্পী, রেসপেক্ট। ভালবাসা অবিরামৃ’