July 16, 2024

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Friday, August 18th, 2023, 8:56 pm

খানা খন্দে বেহাল ঈশ্বরগঞ্জ আঠারবাড়ি রাস্তা জন দুর্ভোগ চরমে

জেলা প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ (ঈশ্বরগঞ্জ):

দ্ইু দফা সময় বৃদ্ধির পরও ঈশ্বরগঞ্জ আঠারবাড়ি রাস্তার কাজ শেষ না হওয়ায় যানবাহন চলাচলসহ এলাকাবাসী পড়েছে চরম দুর্ভোগে। খানা খন্দে রাস্তাটির এখন বেহাল অবস্থা। সওজ ঈশ্বরগঞ্জ সড়ক শাখা সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে জুন মাসে ঈশ্বরগঞ্জ হতে আঠারবাড়ি পর্যন্ত ১শ ১৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৫ কিলোমিটার রাস্তা নির্মণ কাজ পান তাহের ব্রাদার্স ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কাজ পাওয়ার পর থেকে করুনা সহ বিভিন্ন প্রতি কুলতার মধ্যদিয়ে ১২ কিলোমিটার রাস্তার কাজ সম্পন্ন হলেও সৈয়দ ভাকুরী হতে ঈশ্বরগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তার কাজ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি।

সওজ ঈশ্বরগঞ্জ সড়ক শাখার উপসহকারি প্রকৌশলী মোজ্জামেল হক জানান, এই ৩ কিলোমিটার রাস্তার দু’পাশে রয়েছে পৌরবাসীর বাসাবাড়ি ও জায়গা জমি। এ সব জায়গা জমির অধিগ্রহণ ও মূল্য পরিশোধ না হওয়ায় রাস্তার দু’পাশে জমির মালিকরা রাস্তা নির্মাণ কাজ করতে দিচ্ছে না। ফলে এ তিন কিলোমিটার রাস্তা এখন খানা খন্দে বেহাল অবস্থায় পরিনত হয়েছে। পরিবহন চালক মফিজ উদ্দিন জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই স্থানে স্থানে হাটু পানি জমে। বিশেষ করে ঈশ্বরগঞ্জ হাসপাতাল গেটের সামনে ও খাদ্যগুদাম এলাকার গর্ত গুলো এখন মিনি পুকুরের রূপ ধারণ করেছে। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন অগনিত যানবাহন ও পথচারী সহ হাসপাতালে আগত রোগী চলাচল করে থাকে। খানা খন্দের কারণে অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনা। চরম দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে হাসপাতালে আগত রোগীরা।

ঈশ্বরগঞ্জ হাসপাতালের রোডের বাসিন্দা আসমা আক্তার জানান, সড়ক বিভাগ যথক্ষণ আমাদের জমি অধিগ্রহণ করে মূল্য পরিশোধ না করবে ততদিন এলাকাবাসী রাস্তা নির্মাণ কাজ করতে দিবে না।

এ ব্যাপারে সজও ঈশ্বরগঞ্জ সড়ক শাখার উপসহকারি প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক জানান, ইতোমধ্যে এই ৩ কিলোমিটার রাস্তার অধিগ্রহণ কাজের সাত ধারার অনুমোধন দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। এ দিকে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দ্বিতীয় দফায় ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত নির্মাণ কাজের মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে। ভূমি মন্ত্রণালয় অধিগ্রহণের অনুমোদন পত্র জেলায় পাঠিয়ে দিয়েছে। জেলা প্রশাসন জমির মালিকদের অবহিত করণ সহ আনসঙ্গিক কাজ শেষ করতে আরও ১ মাস সময় নিয়েছে। এর মধ্যে জেলা প্রশাসন অধিগ্রহন কাজ সম্পন্ন করে মূল্য পরিশোধের কার্যক্রম শুরু করবে। আশা করা যায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাস্তার কাজ সুষ্টুভাবে সম্পন্ন হবে। রাস্তার বেহাল অবস্থার নিরসন কল্পে খানা খন্দ সমুহে ইট বালি ফেলে পথচারি সহ যান চলাচলের উপযোগী করে তোলার জন্য ঈশ্বরগঞ্জ সওজের উপসহকারী প্রকৌশলীকে বলেছেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজা জেসমিন।

উপসহকারী প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক জানান, হাসপাতালের গেইটের সামনে ঝুঁকি পূর্ণ গর্ত গুলোতে ইট বালু ফেলে ভরাট করে দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে হাসপাতাল থেকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ পর্যন্ত খানা খন্দে ইট বালি ফেলে যান চলাচলের উপযোগী করে দেয়া হবে।