August 9, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Tuesday, July 19th, 2022, 7:56 pm

খেলোয়াড়দের প্রশংসায় কোচ

অনলাইন ডেস্ক :

দেশের ফুটবলে প্রথম বার লিগে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আবাহনী ক্রীড়া চক্র। সেই ১৯৮৩, ১৯৮৪ এবং ১৯৮৫ সালে প্রথম বিভাগ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়ে পুরো বাংলাদেশ সাড়া ফেলে দিয়েছিল। পাল্টা জবাবে মোহামেডান ১৯৮৬, ১৯৮৭ এবং ১৯৮৮ সালে প্রথম বিভাগ ফুটবলে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হয়ে পুরো বাংলাদেশে সাড়া ফেলে দিয়েছিল। আবাহনী মোহামেডানের সেই শিরোপার পর দেশের ফুটবলে প্রিমিয়ার লিগ শুরু হয়েছিল। এরপর ২০০৭ সালে পেশাদার ফুটবল লিগ শুরু হলো। আবাহনী টানা তিন বার লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়ে হ্যাটট্রিকের মুকুট মাথায় তুললো। আবাহনীর পর এবার নতুন দল বসুন্ধরা কিংসও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হলো। কিংসের স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজন হ্যাটট্রিক শিরোপা এনে দিলেন। একেবারে ঘরের মানুষ হয়ে যাওয়া এই কোচ নিখুঁত যত্নে গড়ে তুলেছিলেন তার দলকে। মুন্সীগঞ্জের মাঠে হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের দিনে আবেগ আপ্লুত কোচ অস্কার ব্রুজন সাফল্যের সবটুকু তুলে দিলেন খেলোয়াড়ের হাতে। প্রশংসা করলেন তার সৈনিকদের নিয়ে। এক কথায় অস্কার ব্রুজন বললেন, ‘খেলোয়াররা ঐক্যবদ্ধ ছিল, যার কারণে সাফল্য এসেছে। আমরা যেভাবে পরিকল্পনা করেছিলাম তা বস্তবায়ন হয়েছে।’ সাইফ স্পোর্টিংকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলেও এই দলকে হারাতে বেগ পেতে হয়েছে কিংসের। কোচ বললেন, ‘খুবই আঁটসাঁট ম্যাচ ছিল। সাইফ স্পোর্টিং প্রেসিং ফুটবল খেলেছে, লিগের ফিরতি পর্বে সাইফ স্পোর্টিং সেরা দল। তারা আজকে আমাদের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক মনোভাব দেখিয়েছে, বিশেষ করে আক্রমণভাগের ফুটবলারদের লড়াকু মনোভাব ছিল। ফাইনালে দুই গোল করেছেন দেশি ফুটবলাররা। ২৯ মিনিটে মতিন মিয়ার গোলে এগিয়েছিল। কিন্তু এক গোলে ভরসা ছিল না। টেনশন ছিল কিংসের ডাগআউটে। বদলি খেলতে নামা বিপলু আহমেদ ৮১ মিনিটে গোল করলে সব দুশ্চিন্তা দূর হয়। চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিপলু বললেন, ‘এক গোলে এগিয়ে থাকার পর যখন আমাদের একজন লালকার্ড পেল, তখনও আমরা জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। আমাদের লক্ষ্যই ছিল এখান থেকে লিগ শিরোপা নিশ্চিত করা। আমি বেঞ্চে বসে (দ্বিতীয়ার্ধে) দেখছিলাম আমাদের পাল্টা আক্রমণের সুযোগ আছে, যেহেতু এই অর্ধে আমরা একটু ডিফেন্সিভ খেলছিলাম। তো বদলি নামার পর আমি পালটা আক্রমণের ঐ সুযোগটা কাজে লাগিয়েছি।’ রক্ষণ আগলে থাকা ইরানি ফুটবলার খালেদ শাফির অবদান আছে। সাফল্য পেয়ে শাফি বললেন, ‘এটা অবিশ্বাস্য। বসুন্ধরা কিংসের লিগ শিরোপা জয়, আমার এখানে এসে সাফল্য পাওয়া, ফুটবল নিয়ে এ দেশের সমর্থকদের উন্মাদনা সবকিছুই আমার কাছে অবিশ্বাস্য।’ গোলপোস্ট আগলে রেখেছিলেন গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকো। শিরোপা জয়ে করে বললেন, ‘২০১৮ সাল থেকে বসুন্ধরার সঙ্গে আমার শুরু। এই জার্নিটা চ্যালেঞ্জিং ছিল, কিংসের একজন সদস্য হিসেবে গর্ববোধ করছি। দেশের মাঠে আমরা সাফল্য পেয়েছি, এখন দেশের বাইরে যেসব টুর্নামেন্ট হয়, সেখানে আমাদের সাফল্য পেতে হবে।’