August 9, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Wednesday, July 27th, 2022, 8:17 pm

গ্যাসের ব্যবহার কমাতে সম্মত ইইউ

অনলাইন ডেস্ক :

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্যভুক্ত দেশের সরকারগুলো এই শীতে গ্যাসের ব্যবহার কমানোর সিদ্ধান্তে রাজি হয়েছে। রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহ কমানো বা বন্ধের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্লকটি। যদিও ব্লকের কয়েকটি দেশের জন্য কিছু ছাড়ও দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ইইউর জ্বালানি মন্ত্রীরা আগস্ট থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত গ্যাসের চাহিদা ১৫ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনা করা একটি খসড়া ইউরোপীয় আইন অনুমোদন করেন। আইনে স্বেচ্ছায় গ্যাসের ব্যবহার কমানোর জাতীয় পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত আছে। তবে এতে যদি যথেষ্ঠ পরিমাণ গ্যাস সঞ্চয় না হয়, তবে ব্লকের ২৭ সদস্য দেশে বাধ্যতামূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে। খবর এপির।গ্যাসের ব্যবহার কমানোর সিদ্ধান্ত নিতে ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন চেক প্রজাতন্ত্রের শিল্পমন্ত্রী জোজেফ সিকেলা। তিনি বলেন, আমি জানি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ নয়। কিন্তু আমি মনে করি সবশেষে সবাই বুঝতে পারে এই ত্যাগ খুব দরকারি। আমাদের এই বেদনা ভাগাভাগি করতে হবে এবং আমরা তা করবো। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেন ইইউর এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের গ্যাস সরবারহ বিঘিœত করার হুমকি মোকাবিলায় ইইউ চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিয়েছে। আগেরদিন রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় জ্বালানি করপোরেশন গ্যাজপ্রম বলেছে, রাশিয়া থেকে জার্মানিতে গ্যাস সরবরাহের প্রধান পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিম-১ দিয়ে তারা ২০ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ কমাবে।এদিকে ইউরোপের টাইটেল ট্রান্সফার ফেসিলিটির (টিটিএফ) হিসাব অনুযায়ী, গত মার্চের পর মঙ্গলবার ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এক বছর আগে গ্যাসের যে মূল্য ছিল তার পাঁচগুণ হয়েছে বুধবার। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর পশ্চিমারা মস্কোর ওপর অর্থনৈতিকসহ নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এরপর এই ব্লকের ১২টি দেশ রাশিয়া থেকে গ্যাস কম পাওয়া এবং সরবরাহ স্থগিতের মতো ঘটনার সম্মুখীন হয়।এই যুদ্ধের আগে ইউরোপের চাহিদার প্রাকৃতিক গ্যাসের ৪০ শতাংশ রাশিয়া সরবরাহ করতো। যুদ্ধের পর তা ১৫ শতাংশে নেমে আসে। যা গ্যাসের মূল্যকে আকাশচুম্বি করেছে এবং ইউরোপের গ্যাসনির্ভর শিল্পের ওপর চাপ তৈরি করেছে। ব্লকটির দেশগুলোর বিভিন্ন কোম্পানি সতর্ক করে বলেছে, তারা রাতারাতি জ্বালানির অন্য উৎসগুলোতে যেতে পারবে না।