December 2, 2021

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Wednesday, September 22nd, 2021, 7:47 pm

চট্টগ্রামে বল হাতে মুরাদের দিনে মুমিনুল, শান্ত’র জোড়া ফিফটি

অনলাইন ডেস্ক :

হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের বিপক্ষে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের প্রথম চারদিনের ম্যাচে খেলেননি টাইগার টেস্ট কাপ্তান মুমিনুল হক। তবে বুধবার  (২২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হওয়া দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেই হাঁকালেন ফিফটি। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়া নাজমুল হোসেন শান্তও পেয়েছেন ফিফটির দেখা। সব ছাপিয়ে এইচপির বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদই অবশ্য দিনের সেরা পারফর্মার। প্রথম দিনেই তুলে নিলেন ৫ উইকেট। প্রথম দিন শেষে ‘এ’ দলের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ২২৩ রান। মুমিনুলের ব্যাটে ৬২ ও শান্ত করেছেন ৭২ রান। ৬ রানে অপরাজিত আছেন রাকিবুল হাসান। আগে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১১ রানেই ওপেনার সাইফ হাসান (২) ও সাদমান ইসলামকে (৬) হারায় ‘এ’ দল। এইচপি পেসার সুমন খানই ফেরান দুই ওপেনারকে। এরপর শান্ত-মুমিনুলের ব্যাটে পথ খুঁজে পায় ‘এ’ দল। দুজনেই খেলছিলেন সাবলীল। ২৫ ওভারে ২ উইকেটে ৫৫ রান তুলে লাঞ্চে যায় ‘এ’ দল। শান্ত ১৯ ও মুমিনুল হক ২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। লাঞ্চের পর সুমন খানকে একটি কভার ড্রাইভে চার মেরে যেভাবে শ্যাডো করার মত দাঁড়িয়ে ছিলেন তাতেই বোঝা যায় কতটা আত্মবিশ্বাসী মুমিনুল। তানভীর ইসলামের বলে ফাইন লেগে ঠেলে দিয়ে ৭০ বলে ফিফটি ছুঁয়েছেন। তবে একই ওভারে ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে তার ক্যাচ মিস হয় ব্যক্তিগত ৫৪ রানে। এরপর ছন্দে থাকলেও পেসার রেজাউর রহমান রেজার বাউন্সার বুঝতে না পেরে স্লিপে ক্যাচ দেন টাইগারদের টেস্ট অধিনায়ক। ৮৫ বলে ৬ চার ১ ছক্কায় সাজিয়েছেন ৬২ রানের ইনিংসটি। শান্তর সাথে ভাঙে ৮৮ রানের জুটি। বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদের বলে আউট হয়ে ৪ রানের বেশি করতে পারেননি মোহাম্মদ মিঠুন। মুরাদকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে খালি হাতে ফিরতে হয় ইয়াসির আলি চৌধুরী রাব্বিকে। এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে ইরফান শুক্কুরকেও খালি হাতে ফেরান মুরাদ। ৮ ওভারের প্রথম স্পেলে তার শিকার ৩ উইকেট। আর তাতেই ২ উইকেটে ৯৯ থেকে ৬ উইকেটে ১১৬ রানে পরিণত হয় বাংলাদেশ ‘এ’ দল। সেখান থেকে নাইম হাসানকে নিয়ে দলকে টেনে নেন শান্ত। ৬ উইকেটে ১৩১ রান তুলে চা বিরতিতে যায় ‘এ’ দল। ৪৭ রানে শান্ত ও ১০ রানে অপরাজিত ছিলেন নাইম। চা বিরতির পর ফিরে এসে ১৩৩ বলে ফিফটি তুলে নেন শান্ত। শেষ পর্যন্ত শান্তকে ফেরাতে পার্ট টাইম স্পিনার শাহাদাত হোসেন দিপুকে ডেকে নেয় এইচপি অধিনায়ক। নিজের তৃতীয় বলেই ফেরান ৭২ রান করা শান্তকে। ২০৮ বলের ইনিংসে ছিল ৪ চার ১ ছক্কা। ভাঙে নাইম হাসানের সাথে ৬৫ রানের জুটি। ৩২ রান করা নাইমকেও তুলে নেন মুরাদ। নাইমের বিদায়ের পর পেসার শহিদুল ইসলাম দলীয় সংগ্রহ বাড়ানোর দায়িত্ব নেন। রাকিবুল হাসানকে নিয়ে ৪২ রানের জুটিও গড়েন। তবে তাকেও এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন হাসান মুরাদ। পূর্ণ করেন ইনিংসে নিজের ৫ম উইকেট। ৩১ বলে ২ চার ৪ ছক্কায় শহিদুল ৩৬ রান করে আউট হলেই দিনের খেলা শেষ ঘোষণা করে আম্পায়ার। তাতে ৯ উইকেটে ২২৩ রানে দিন শেষ হয় বাংলাদেশ ‘এ’ দলের। ২২.১ ওভারে ৬ মেডেনসহ ৪৭ রান খরচায় ৫ উইকেট মুরাদের। সুমন খান নেন দুইটি, রেজাউর রহমান রাজা ও শাহাদাত হোসেন দিপুর শিকার একটি করে উইকেট।