December 1, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Monday, October 24th, 2022, 2:54 pm

চট্টগ্রাম বন্দরে ‘অ্যালার্ট-৩’ জারি, পণ্য ওঠা-নামা বন্ধ

ফাইল ছবি

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এর প্রভাবে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি আশঙ্কায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে নিজস্ব সংকেত ‘অ্যালার্ট-৩’ জারি করা হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ এনসিটি, সিসিটির সব জাহাজ বহিরনোঙরে পাঠিয়ে দিয়েছে। বন্দর চ্যানেল থেকে সব লাইটার জাহাজও সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

সোমবার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, আবহাওয়া অফিস থেকে ছয় নম্বর সংকেত জারির পর অ্যালার্ট-৩ জারির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরপরই জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানো-নামানোর কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। জেটি থেকে পালাক্রমে জাহাজ সাগরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে জেটিতে থাকা জাহাজে ব্যাপক আঘাত লাগে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ কারণে জাহাজ জেটি থেকে কিছুটা দূরে সাগরে পাঠানো হচ্ছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এর প্রভাবে চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ছয় নম্বর সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

তাই সকাল থেকে বন্দর এলাকায় লাইটার জাহাজগুলোকে কর্ণফুলী নদীর শাহ আমানত সেতুর আশপাশে আনা হয়েছে৷ অপরদিকে বড় জাহাজগুলোকে গভীর সাগরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এর ফলে জাহাজ থেকে পণ্য, কনটেইনার লোড-আনলোড বন্ধ হয়ে গেছে। হ্যান্ডলিং ইক্যুইপমেন্ট নিরাপদে রাখতে প্যাকিং করে রাখা হচ্ছে। বন্দর ভবনে জরুরি সভা চলছে।

এছাড়া বন্দরের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

এদিকে সাগর আরও বেশি বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠায় মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর গুলোকে (চার) নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে (সাত) নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে (ছয়) নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

—ইউএনবি