October 3, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Thursday, September 1st, 2022, 9:27 pm

চলতি অর্থবছরের শুরুতেই কমে গেছে এডিপি বাস্তবায়নের হার

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চলতি অর্থবছরের শুরুতেই উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি বাস্তবায়নের হার। বর্তমানে যে হারে এডিবি বাস্তবায়িত হচ্ছে করোনা মহামারি চলাকালীনও তার চেয়ে এডিপি বাস্তবায়নের হার বেশি ছিল। গত চার বছরের মধ্যে বর্তমানে এডিপির বাস্তবায়ন হার সবচেয়ে কম। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের হার মাত্র ০.৯৬ শতাংশ। করোনাকালীন ও তার পরবর্তী দুই বছরেও ওই হার ছিল সোয়া এক থেকে দুই শতাংশের কাছাকাছি। তার মধ্যে সরকারের ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে ৩৬টিই বিদেশি অর্থ খরচের খাতা খুলতেই পারেনি। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ণ পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, ২ লাখ ৫৬ হাজার ৩ কোটি টাকার এডিপির মধ্যে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে খরচ হয়েছে মাত্র ২ হাজার ৪৫৫ কোটি টাকা। টাকার অঙ্ক ও বাস্তবায়ন হার দুদিক থেকেই অর্থবছরের প্রথম মাসের এডিপি আগের তিন বছরের চেয়ে কম। ২০২১-২২ অর্থবছরের একই সময়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের হার ছিল ১.১৪ শতাংশ ও ব্যয় ছিল ২ হাজার ৬৯৩ কোটি টাকা। আর ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাইয়ে খরচ ছিল ৩ হাজার ২৫৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ও বাস্তবায়নের হার ছিল ১.৫২ শতাংশ। এমনকি ২০১৯-২০ অর্থবছরে করোনা মহামারি চলাকালীন ব্যয় ছিল ৩ হাজার ৯৫০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ও বাস্তবায়ন হার ছিলে ১.৮৪ শতাংশ। অথচ এখন প উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের হার এক শতাংশও হয়নি।
সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়নে প্রথম মাসের খরচের মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিলের এক হাজার ৩২২ কোটি টাকা, প্রকল্প সাহায্য থেকে ৯৭৬ কোটি টাকা ও বাস্তবানকারী সংস্থাগুলোর নিজস্ব কোষাগার থেকে খরচ হয়েছে ১৫৭ কোটি টাকা। মোট ব্যয়ের মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ সবচেয়ে বেশি ৯৮৪ কোটি টাকা খরচ করেছে। আর বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয় খরচের খাতাই খুলতে পারেনি। ১৮টি মন্ত্রণালয় জিওবি অর্থায়ন প্রকল্পের টাকা ব্যয় করতে পারেনি। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, ধর্ম মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, সেতু বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ নিজস্ব টাকাও খরচ করতে পারেনি। এমনকি সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্তদের মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ও অর্থ ব্যয় করতে পারেনি।