April 24, 2024

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Saturday, March 18th, 2023, 12:46 pm

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক :

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি গ্রেফতার হয়েছেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। শনিবার ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার সকালে চিত্রনায়িকা ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফিরলে গ্রেফতার হন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোল্লা নজরুল ইসলাম।

জনা যায় শুক্রবার রাতে মাহিয়া মাহি ও তার স্বামী আওয়ামী লীগ নেতা রকিব সরকারের নামে মামলা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি এবং মারধর, ভাঙচুর, চাঁদাবাজির অভিযোগে অপর একটি মামলা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে বাসন থানার উপ-পরিদর্শক মো. রোকন মিয়া বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মাহি দম্পতির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। অন্যদিকে একই রাতে অপর মামলাটি করেন স্থানীয় ইসমাইল হোসেন।

এর আগে মাহিয়া মাহি ও তার স্বামী রকিব সরকার জমি ও শো-রুম নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে ও গাজীপুর মহানগর পুলিশকে জড়িয়ে ওমরাহ হজ পালন করতে গিয়ে মক্কা থেকে ফেসবুক লাইভে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। অন্যদিকে, ইসমাইল হোসেন তাদের বিরুদ্ধে মারধর, কারখানা ভাঙচুর ও জমি দখলের অভিযোগ তুলে ধরেন।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার মো. আবু তোরাব মোহাম্মদ শামসুদ্দিন জানান, শুক্রবার রাতে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও তার স্বামী আওয়ামী লীগ নেতা রকিব সরকারের নামে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ফেসবুক লাইভে গাজীপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলামসহ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন মারধর, ভাঙচুর, চাঁদাদাবি ও জমি দখলের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে হুকুমের আসামি করে ২৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দুটোর বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ দিকে মাহি মক্কা থেকে রওনা দেয়ার আগে শুক্রবার মধ্যরাতে আবারও ফেসবুক লাইভে যুক্ত হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলেন। শনিবার সকালে দেশে পৌঁছাবেন জানিয়ে এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে গ্রেপ্তার হতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এ সময় তার স্বামী রকিব সরকারও তাদের শো-রুমে হামলা ও সেখানকার নিরাপত্তা কর্মীদের গ্রেপ্তারের অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে, নগরের ইটাহাটা এলাকার রড বাইন্ডিং কারখানা মালিক ইসমাইল হোসেন জানান, জমি কিনে কমপক্ষে ১০ বছর ধরে তিনি কারখানা বানিয়ে তাতে দখলে রয়েছেন। বর্তমান বাজারদরে প্রায় চার কোটি টাকা দামের এই জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধে উচ্চ আদালতেও তার পক্ষে রায় রয়েছে। এরপরও শুক্রবার ভোরে রাকিব সরকার ও তার স্ত্রীর লোকজন অতর্কিত হানা দিয়ে তাদেরকে মারধর করে অন্তত পাঁচজনকে পিটিয়ে আহত করেছে এবং জবর দখলের চেষ্টা করে। তিনি পুলিশ কর্মকর্তা ও সরকারের প্রতি এর সুষ্ঠু প্রতিকার দাবি করছেন।

এর আগে শুক্রবার ভোরে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে তার স্বামী গাজীপুরের ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতা রকিব সরকারের গাড়ির শো-রুমে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ তোলেন ইসমাইল হোসেন ও মামুন সরকারের বিরুদ্ধে।

তারা লাইভে জানান, গাজীপুর মহানগরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের পূর্বপাশে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশের তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সনি রাজ কার প্যালেস নামের গাড়ির শো-রুম দখলের উদ্দেশ্যে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়।

দীর্ঘ সময়ের লাইভে তারা এ ঘটনায় গাজীপুর মহানগর পুলিশের বিরুদ্ধেও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে কমিশনারের বিরুদ্ধে ‘ঘুষ নেয়ার’ অভিযোগও করেন।

এ প্রসঙ্গে গাজীপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার মোল্যা নজরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মাহিয়া মাহি পুলিশের বিরুদ্ধে ঢালাও অভিযোগ করেছেন, মিথ্যা বলে মানুষের সহানুভূতি নেয়ার চেষ্টা করেছেন। যাদের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করেছেন, তাদেরও আমি চিনি না।’

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও তার স্বামী আওয়ামী লীগ নেতা রকিব সরকারের নামে মামলা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি এবং মারধর, ভাঙচুর, চাঁদাবাজির অভিযোগে অপর একটি মামলা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে বাসন থানার উপ-পরিদর্শক মো. রোকন মিয়া বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মাহি দম্পতির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। অন্যদিকে একই রাতে অপর মামলাটি করেন স্থানীয় ইসমাইল হোসেন।

এর আগে মাহিয়া মাহি ও তার স্বামী রকিব সরকার জমি ও শো-রুম নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে ও গাজীপুর মহানগর পুলিশকে জড়িয়ে ওমরাহ হজ পালন করতে গিয়ে মক্কা থেকে ফেসবুক লাইভে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। অন্যদিকে, ইসমাইল হোসেন তাদের বিরুদ্ধে মারধর, কারখানা ভাঙচুর ও জমি দখলের অভিযোগ তুলে ধরেন।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার মো. আবু তোরাব মোহাম্মদ শামসুদ্দিন জানান, শুক্রবার রাতে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও তার স্বামী আওয়ামী লীগ নেতা রকিব সরকারের নামে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ফেসবুক লাইভে গাজীপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলামসহ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন মারধর, ভাঙচুর, চাঁদাদাবি ও জমি দখলের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে হুকুমের আসামি করে ২৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দুটোর বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ দিকে মাহি মক্কা থেকে রওনা দেয়ার আগে শুক্রবার মধ্যরাতে আবারও ফেসবুক লাইভে যুক্ত হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলেন। শনিবার সকালে দেশে পৌঁছাবেন জানিয়ে এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে গ্রেপ্তার হতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এ সময় তার স্বামী রকিব সরকারও তাদের শো-রুমে হামলা ও সেখানকার নিরাপত্তা কর্মীদের গ্রেপ্তারের অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে, নগরের ইটাহাটা এলাকার রড বাইন্ডিং কারখানা মালিক ইসমাইল হোসেন জানান, জমি কিনে কমপক্ষে ১০ বছর ধরে তিনি কারখানা বানিয়ে তাতে দখলে রয়েছেন। বর্তমান বাজারদরে প্রায় চার কোটি টাকা দামের এই জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধে উচ্চ আদালতেও তার পক্ষে রায় রয়েছে। এরপরও শুক্রবার ভোরে রাকিব সরকার ও তার স্ত্রীর লোকজন অতর্কিত হানা দিয়ে তাদেরকে মারধর করে অন্তত পাঁচজনকে পিটিয়ে আহত করেছে এবং জবর দখলের চেষ্টা করে। তিনি পুলিশ কর্মকর্তা ও সরকারের প্রতি এর সুষ্ঠু প্রতিকার দাবি করছেন।

এর আগে শুক্রবার ভোরে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে তার স্বামী গাজীপুরের ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতা রকিব সরকারের গাড়ির শো-রুমে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ তোলেন ইসমাইল হোসেন ও মামুন সরকারের বিরুদ্ধে।

তারা লাইভে জানান, গাজীপুর মহানগরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের পূর্বপাশে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশের তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সনি রাজ কার প্যালেস নামের গাড়ির শো-রুম দখলের উদ্দেশ্যে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়।

দীর্ঘ সময়ের লাইভে তারা এ ঘটনায় গাজীপুর মহানগর পুলিশের বিরুদ্ধেও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে কমিশনারের বিরুদ্ধে ‘ঘুষ নেয়ার’ অভিযোগও করেন।

এ প্রসঙ্গে গাজীপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার মোল্যা নজরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মাহিয়া মাহি পুলিশের বিরুদ্ধে ঢালাও অভিযোগ করেছেন, মিথ্যা বলে মানুষের সহানুভূতি নেয়ার চেষ্টা করেছেন। যাদের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করেছেন, তাদেরও আমি চিনি না।’