June 16, 2024

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Monday, April 8th, 2024, 7:57 pm

ছেলেকে ঘিরেই এখন আমার প্রেম: পরী

অনলাইন ডেস্ক :

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি। বিরতি কাটিয়ে মন দিয়েছেন অভিনয়ে। বর্তমানে টলিউডে অভিষেক সিনেমা ‘ফেলুবক্সী’র শুটিংয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। আর সেকারণে অভিনেত্রী রয়েছেন কলকাতায়। কাজের ফাঁকে কলকাতার স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে সাক্ষাৎকারও দিচ্ছেন পরীমণি। সম্প্রতি এই চিত্রনায়িকা দীর্ঘ আড্ডায় মেতেছিলেন ভারতীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে। কথা বলেছেন ব্যক্তিজীবন, ক্যারিয়ার ও ছেলে পূর্ণকে নিয়ে। এখনও প্রেমে বিশ্বাস আছে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে পরী বলেন, ‘না, আমার প্রেম এখন লকড হয়ে গেছে। ছেলে পূর্ণকে ঘিরেই এখন আমার প্রেম।

তার ডায়াপার থেকে সবকিছুর সঙ্গে আমি প্রেমে জড়িয়ে আছি।’ সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে পরীর জেলজীবনের প্রসঙ্গও। এ বিষয়ে নায়িকা বলেন, ‘২৭ দিন জেলে ছিলাম। অভিজ্ঞতা লিখে রেখেছি, ছেলে বড় হলে পড়বে। পরী জেলে গেল, এটা সবাই জানেন, আর মামলাটা যে খারিজ হয়ে গেল, সেটা অনেকেই জানেন না। মানে এ বিষয় কোথাও প্রচার হতে দেখলাম না।’ এছাড়া প্রথমদিকে সন্তানের নাম রাজ্য রেখেছিলেন পরীমণি। পরে সেই নামটি পাল্টে রেখেছেন তিনি। সত্যিকার অর্থে ছেলের নাম কী- এমন প্রশ্নের উত্তরে বিশ্বসুন্দরী’খ্যাত এই অভিনেত্রী বলেন, ‘রাজ আর আমার ডিভোর্সের কথা হচ্ছিল যখন, তখন থেকেই বাসায় ছেলেকে আর রাজ্য বলে কেউ ডাকে না। নানাভাইয়ের দেওয়া পূর্ণ নামেই ডাকে। কাগজে কলমে ওর নাম শাহীন মুহম্মদ পূর্ণ। আর আমি ডাকি পদ্মফুল।’

পরীমণি কথা বলেছেন প্রয়াত নানাভাইকে নিয়েও। তার কথায়, ‘এখনও ভুলে যাই যে নানাভাই নেই। ঈদের শপিংয়ের কথা উঠতেই সবার প্রথমে নানাভাইয়ের কথা ভাবি, কল দিতে যাই। কিন্তু পরে মনে হয়, নানাভাই তো নেই।’ এদিকে টলিউডে আরও কোনো সিনেমায় কাজের কথাবার্তা হচ্ছে কি-না জানতে চাইলে পরী বলেন, ‘আমি তো চাই কাজ পুরোদমে করতে। কিন্তু পদ্মকে সময় দিতে চাই আরেকটু। ও এখন কথা বলার চেষ্টা করছে। ছেলের এই সময়ে তার কাছে থাকতে চাই।’ উল্লেখ্য, ‘ফেলুবক্সী’ সিনেমাটি পরিচালনা করছেন দেবরাজ সিনহা। এতে পরীমণির সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন সোহম ও মধুমিতা সরকার। এদিকে দেশে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার শেষ করা সিনেমা ‘ডোডোর গল্প’। সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত এই সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রেজা ঘটক।