December 10, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Monday, September 26th, 2022, 8:58 pm

দেশে মোবাইল ফোনে আর্থিক সেবা গ্রহণের প্রবণতা বাড়ছে

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশে মোবাইল ফোনে আর্থিক সেনা গ্রহণের প্রবণতা বাড়ছে। সেজন্য ইতোমধ্যে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস বা এমএফএস অ্যাকাউন্ট ১৮ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। গত জুলাই শেষে ওই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ১১ লাখ। মূলত একই ব্যক্তি একাধিক হিসাব খোলার সুযোগসহ বিভিন্ন কারণে দেশের মোট জনসংখ্যার চেয়ে এমএফএস হিসাবের সংখ্যা বেশি দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশে গত জুন মাস শেষে ১৭ কোটি ৮৬ লাখ এমএফএস অ্যাকাউন্ট ছিল। আর গত বছরের জুলাই শেষে ওই অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ১৫ কোটি ৬০ লাখ। বর্তমানে বিকাশ, নগদ, রকেটসহ ১৬টি এমএফএস প্রতিষ্ঠান কার্যক্রমে রয়েছে। একজন সর্বোচ্চ ১৬টি পর্যন্ত এমএফএস হিসাব খুলতে পারে। তাছাড়া ২০১০ সালে এমএফএসের কার্যক্রম শুরুর দিকে একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে একই প্রতিষ্ঠানে একাধিক হিসাব খোলার সুযোগ ছিল। তবে বিভিন্ন অপরাধ হওয়ার শঙ্কায় তা বন্ধ করে দেয়া হয়। তবে বিভিন্ন সময়ে খোলা মোট এমএফএস হিসাবের অর্ধেকের বেশি বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে একই ব্যক্তি তার জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে সব এমএফএস প্রতিষ্ঠানে হিসাব খুলতে পারে।
সূত্র জানায়, সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনার তথ্যানুযায়ী বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। তার মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৮ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন আর নারী ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন। আর জুলাই পর্যন্ত এমএফএস হিসাবের মধ্যে পুরুষ অ্যাকাউন্ট ১০ কোটি ৪৩ লাখ এবং নারী হিসাব ৭ কোটি ৬৪ লাখ। তাছাড়া তৃতীয় লিঙ্গসহ অন্যান্য হিসাব রয়েছে ৪ লাখেরও বেশি।
সূত্র আরো জানায়, গত জুলাই মাসে এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে মোট ৮৯ হাজার ১৬৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। যা আগের মাস জুনের তুলনায় ৫ হাজার ১২৪ কোটি টাকা বা ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ কম। অবশ্য আগের বছরের একই মাসের তুলনায় এমএফএসে লেনদেন বেড়েছে ১১ হাজার ৫২৪ কোটি টাকা বা ১৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেশি। গত জুলাইতে ক্যাশ ইন হয় ২৫ হাজার ৭৮০ কোটি এবং ক্যাশ আউট ২৬ হাজার ২৫৪ কোটি টাকা। ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেন ২৪ হাজার ৪৩৫ কোটি, ব্যবসায়িক পরিশোধ ২ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা। সরকার থেকে ব্যক্তি ৮৬৯ কোটি, বেতন পরিশোধ ৩ হাজার ১৮৭ কোটি, টকটাইম কেনা ৮৭৯ কোটি এবং ১ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার ইউটিলিটি বিল পরিশোধ হয়েছে।