January 21, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Saturday, December 25th, 2021, 6:24 pm

নাটোরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

অনলাইন ডেস্ক :

লেটস সিনেমা! এই শ্লোগান নিয়ে এবার নাটোরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব- ‘গ্লোবাল ইয়ুথ ফিল্ম ফেস্টিভাল বাংলাদেশ’। উৎসবে দেশ-বিদেশের ৭১টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। সিনেমা বাংলাদেশ-এর আয়োজনে আগামী ২৬ থেকে ২৮ ডিসেম্বর বিশ্ব চলচ্চিত্রের তরুণ নির্মাতাদের এই আসর বসবে শহরের জেলা পরিষদ মিলনায়তনে। উৎসবের স্থানীয় আয়োজক ‘নাটোর ফিল্ম ক্লাব’। লক্ষ্মীপুর, রংপুর, ময়মনসিংহ ও বান্দরবানের পর এটি এই উৎসবের ৫ম আসর। উৎসবের উদ্বোধন করবেন কিংবদন্তি নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। উৎসব সংশ্লিষ্ট নানা আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন খ্যাতনামা চিত্রনির্মাতা আবু সাইয়িদ, গিয়াসউদ্দিন সেলিম, আরিফুর রহমান প্রমুখ। উৎসবের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বিভাগে জমা পড়েছে বিশ্বের ১০১টি দেশের তরুণদের নির্মিত ১৪৮০টি চলচ্চিত্র। এতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন চলচ্চিত্রকার সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকি, প্রসূন রহমান, জসিম আহমেদ ও বিজন ইমতিয়াজ। আরও থাকছেন ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব ফিল্ম ক্রিটিকস (ফিপরেস্কি) সদস্য সাদিয়া খালিদ ও স্পেনের স্বনামধন্য নির্মাতা ক্রিস্টিনা ট্রেনাস। উৎসব প্রযোজক হেমন্ত সাদীক জানান, প্রয়াত লেখক হাসান আজিজুল হকের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবারের উৎসবে প্রদর্শিত হবে তিনটি চলচ্চিত্র। এরমধ্যে রয়েছে হাসান আজিজুল হকের গল্প অবলম্বনে আকরাম খান নির্মিত চলচ্চিত্র ‘খাঁচা’, তার জীবন ও কর্ম অবলম্বনে প্রসূন রহমান নির্মিত তথ্যচিত্র ‘এই পুরাতন আখরগুলি’ ও আহসান কবীর লিটন নির্মিত ‘গল্পলোকের চিত্রকর’। প্রদর্শনী শেষে দর্শকের সাথে প্রশ্নোত্তর সেশনে অংশ নেবেন সংশ্লিষ্ট পরিচালক ও কলাকুশলীবৃন্দ। আমন্ত্রিত চলচ্চিত্র বিভাগে প্রদর্শিত হবে এন রাশেদ চৌধুরী নির্মিত বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র ‘চন্দ্রাবতী কথা’। উৎসব পরিচালক জিসান মাহাদি জানান, ২০১৮ সাল থেকে ভারতীয় উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের পথিকৃৎ হীরালাল সেন-এর নামে একটি পুরস্কারের প্রবর্তন করেছে গ্লোবাল ইয়ুথ ফিল্ম ফেস্টিভাল বাংলাদেশ। এবার বাংলাদেশি তরুণদের নির্মিত দুই শতাধিক চলচ্চিত্র জমা পড়েছে এই বিভাগে। যার মধ্য থেকে প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত ১৭টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। এছাড়া উৎসবের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে চারটি চলচ্চিত্র নির্মাণ বিষয়ক মাস্টারক্লাস। এতে স্ক্রিপ্ট রাইটিং, আর্ট অব ডিরেকশন, প্রোডাকশন ডিজাইন এবং ডিস্ট্রিবিউশন নিয়ে আলোচনা করবেন বরেণ্য চিত্রনির্মাতা ও প্রযোজকবৃন্দ। ২৮ ডিসেম্বর সমাপনী দিনে বিচারকের রায়ে পুরস্কারপ্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ সাতটি চলচ্চিত্রের নাম ঘোষণা করা হবে। প্রতিদিন তিনটি করে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবের চলচ্চিত্র দেখতে কোনও ফি দিতে হবে না বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।