January 27, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Sunday, January 9th, 2022, 8:08 pm

নির্বাচন প্রসঙ্গে যা বললেন বাপ্পারাজ

অনলাইন ডেস্ক :

আসন্ন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে এবার নির্বাচন করতে যাচ্ছেন চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ। এই নির্বাচনে বাপ্পারাজ অংশ নেবেন জায়েদ খান-মিশা প্যানেল থেকে। তবে বাপ্পারাজ সভাপতি হিসেবে নিজ প্যানেলের প্রার্থীকে চান না, চান প্রতিপক্ষ প্যানেলের ইলিয়াস কাঞ্চনকে। এমনটা সচরাচর ঘটে না। বললেন, ‘আমি নির্বাচন করছি না, আমাকে করানো হচ্ছে।’ রোববার (৯ জানুয়ারী) দুপুরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বাপ্পারাজ স্পষ্টভাবে বলেন, ‘এটা তো ওপেন সিক্রেট, আমি কাঞ্চন ভাইকেই সমর্থন করব। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি হিসেবে ওনাকেই দরকার।’ নির্বাচন করছেন কি না- এসংক্রান্ত প্রশ্ন করা হয় বাপ্পারাজকে। জনপ্রিয় এই অভিনেতা বলেন, ‘আমি নির্বাচন করছি না, আমাকে নির্বাচন করানো হচ্ছে।’ কে করাচ্ছে নির্বাচন? এমন প্রশ্নের জবাবে বাপ্পারাজ বলেন, ‘যারা আগ্রহী আমাকে নিয়ে নির্বাচন করতে, তারাই করাচ্ছে। আমি তো কারো কাছে ভোট চাই না। আমি কোনো ফরম পূরণ করি না। তারাই আমার ফরম পূরণ করে দেয়, সব কিছু করে।’ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য পদে মিশা সওদাগর-জায়েদ খান প্যানেল থেকে বাপ্পারাজ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। অন্যদিকে, ইলিয়াস কাঞ্চন এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী হচ্ছেন। তাঁর প্যানেলে চিত্রনায়িকা নিপুণ সাধারণ সম্পাদক পদে লড়বেন। এ ছাড়া সাইমন সাদিক, চিত্রনায়ক ইমন, চিত্রনায়ক নিরব এই প্যানেলে থাকছেন। মাঠ পর্যায়েও নিজের গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করেছেন বেদের মেয়ে জোছনা খ্যাত এই অভিনেতা। সেখানেই ইতিবাচক মনোভাব দেখতে পান, এর পরই সিদ্ধান্ত নেন নির্বাচন করার। ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘এর বাইরে ফাইট ডিরেক্টর, নৃত্যপরিচালক, চিত্র পরিচালক, প্রযোজক- ইন্ডাস্ট্রির প্রকৃত কাজের মানুষরা আমাদের প্যানেলকে সমর্থন দিচ্ছেন। তারা মন থেকে চাইছেন আমি নির্বাচন করি। আমাদের শিল্পীরা অনুদান নিতে চায় না। তারা নিয়মিত কাজ করতে চায়। ইন্ডাস্ট্রির মানুষদের মধ্যে একটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে। আমরা নির্বাচনে জয়ী হয়ে সেই দূরত্ব দূর করতে চাই। শিল্পী সমিতির নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন পীরজাদা হারুন। দুজন সদস্য হলেন বি এইচ নিশান ও বজলুর রাশীদ চৌধুরী। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে সোহানুর রহমান সোহানকে। মোহাম্মদ হোসেন জেমী ও মোহাম্মদ হোসেনকে আপিল বোর্ডের সদস্য করা হয়েছে।