December 2, 2021

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Friday, November 19th, 2021, 7:40 pm

পরিবার নিয়ে সিঙ্গাপুর যাচ্ছি: ডিপজল

মোঃ সাকিক হারুন ভূঁইয়া :

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় প্রযোজক, অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। সিনেমার এই ক্রান্তিলগ্নেও তিনি একের পর এক সিনেমা করে যাচ্ছেন।

করোনায় বিপর্যস্ত দেশে মানুষের পাশে দেশের মিডিয়ার প্রভাবশালীরা অনেকে দূরে থাকলেও এগিয়ে ছিলেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল। করোনায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, দাঁড়িয়েছেন চলচ্চিত্রশিল্পীদের পাশে।

বছর দুই আগে অসুস্থ হয়ে পড়লে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় চলচ্চিত্রের ‘মুভিলর্ড’ খ্যাত ডিপজলকে। সুস্থ হয়ে দেশে ফেরার পর থেকে এই হাসপাতালে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান তিনি। করোনা সংকটের কারণে গত দুই বছর সিঙ্গাপুরে যেতে পারেননি ডিপজল। অবশেষে শারীরিক পরীক্ষার জন্য স্বপরিবারে সিঙ্গাপুর গেলেন তিনি। ডিপজলের সঙ্গে তার স্ত্রী, তিন ছেলে ও ছেলের স্ত্রী রয়েছেন। বৃহস্পতিবার ঢাকা ত্যাগ করেন তারা। এদিন ডিপজল তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি যৌথ ছবি পোস্ট করে লিখেন ‘পরিবার নিয়ে সিঙ্গাপুর যাচ্ছি। তারপর ব্যাংককে মেডিক্যাল চেকআপ করে দেশে ফিরবো। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত চেক আপের পাশাপাশি পরিবার নিয়ে অবসর যাপনের পরিকল্পনাও করেছেন ডিপজল। কয়েক মাস আগে শারীরিক পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর যাওয়ার কথা ছিল ডিপজলের। কিন্তু ভিসা জটিলতার কারণে তা আটকে ছিল। বিষয়টি উল্লেখ করে এই অভিনেতা বলেছিলেন ‘ভিসার জন্য আবেদন করেছি। তবে ভিসা পেতে দেরি হচ্ছে। কেন দেরি হচ্ছে বুঝতে পারছি না। করোনা পরিস্থিতির কারণে এটা হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। করোনার দুই ডোজ টিকাও নিয়েছি। আশা করি, সিঙ্গাপুর অ্যাম্বাসি দ্রুতই আমাকে ভিসা দিয়ে সহযোগিতা করবেন।’ ২০১৭ সালে হার্টের সমস্যার কারণে দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরের চিকিৎসা নিতে হয়েছিল ডিপজলকে। সেখানে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তার হার্টে বাইপাস সার্জারি হয়। সেখানকার চিকিৎসা নিয়ে সন্তুষ্ট ডিপজল। তার ভাষায় ‘আমি সিঙ্গাপুরেই চেকআপ করাতে চাই। সেখানকার চিকিৎসা প্রক্রিয়া আমার ভালো লেগেছে। তারা খুব ভালো চিকিৎসা করেছেন।’

১৫ জুন, ১৯৫৮ সালে ঢাকার মিরপুরের বাগবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল। চলচ্চিত্র পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবরের হাত ধরে চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে তার। তিনি ফাহিম শুটিং স্পট, এশিয়া সিনেমা হল, পর্বত সিনেমা হল, জোবেদা ফিল্মস, পর্বত পিকচার্স-২, ডিপজল ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের স্বত্বাধিকারী। তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে সক্রিয়। প্রথমে খল চরিত্রে অভিনয় করলেও চাচ্চু চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি ভালো চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন। এ ছাড়া মা-বাবাকে হারানোর বেদনা থেকে তিনি একটি বৃদ্ধাশ্রমও গড়ে তুলেছেন।