December 9, 2021

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Tuesday, October 5th, 2021, 8:54 pm

পরীক্ষায় অসাধু উপায় অবলম্বনের অভিযোগ, সাত কলেজের ৫২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

প্রতীকী ছবি

অনলাইন ডেস্ক :

পরীক্ষায় অসাধু উপায় (নকল) অবলম্বন ও অন্যান্য অপরাধের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের আটজন শিক্ষার্থীকে স্থায়ী এবং ৪৪ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে (অস্থায়ী) বহিষ্কার করা হয়েছে। অস্থায়ী বহিষ্কার হওয়া এসব শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করা পরীক্ষা বাতিলসহ আরও এক, দুই অথবা তিন বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। এছাড়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে জালিয়াতি ও অবৈধ পন্থা অবলম্বন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া দুইজন শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। আর পরীক্ষার অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজ ব্যতীত অন্য কলেজের ২০ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে ঢাবির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষধ সভার সুপারিশ অনুযায়ী ২৯ সেপ্টেম্বর নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেটের এক সভায় বহিষ্কারের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের তালিকা এ সপ্তাহে অধিভুক্ত কলেজেগুলোতে পাঠাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে কলেজের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে শিক্ষার্থীকে এই বহিষ্কার আদেশের বিষয়ে জানানো হবে। এদিকে, সাত কলেজের বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের তালিকায় দেখা যায়, স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত ওই আট শিক্ষার্থীর মধ্যে সরকারি বাঙলা কলেজের পাঁচজন ও ঢাকা কলেজের তিনজন শিক্ষার্থী রয়েছেন। বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কৃত ৪৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ইডেন মহিলা কলেজের ১২ জন, সরকারি তিতুমীর কলেজের ১২ জন, সরকারি বাঙলা কলেজের ৯ জন, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছয়জন, কবি নজরুল সরকারি কলেজের চার জন ও ঢাকা কলেজের একজন শিক্ষার্থী রয়েছেন। এ বিষয়ে সাত কলেজের সমন্বয়ক (ফোকাল পয়েন্ট) ও ঢাকা কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বলেন, শৃঙ্খলা পরিষদের সভার পরামর্শ অনুযায়ী সিন্ডিকেট এ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। শিক্ষার্থীরা শাস্তি কমানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে যথাযথ পদ্ধতিতে আবেদন করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় সেটা বিবেচনা করবে। উল্লেখ্য, অপরাধের জন্য অনুতপ্ত হয়ে কোনো শিক্ষার্থী উপাচার্য বরাবর শাস্তি হ্রাসের আবেদন করলে উপাচার্য বিশেষ বিবেচনায় শাস্তি এক বছর হ্রাস করতে পারবেন।