December 2, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Friday, November 4th, 2022, 8:01 pm

পর্তুগালকে একটা দল হয়ে উঠতে হবে: দিয়াস

অনলাইন ডেস্ক :

রাশিয়া বিশ্বকাপে পর্তুগাল দলের সঙ্গী ছিলেন রুবেন দিয়াস। কিন্তু চোটের কারণে খেলতে পারেননি একটি ম্যাচও। চার বছর পেরিয়ে এই সেন্টার-ব্যাক এখন আরও পরিণত। কাতার বিশ্বকাপে আলো ছড়াতে মুখিয়ে আছেন তিনি। তবে, বৈশ্বিক ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে পর্তুগালকে ভালো করতে হলে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের চেয়ে সবাই মিলে একটা দল হয়ে উঠতে হবে বলে মনে করেন ম্যানচেস্টার সিটির এই ডিফেন্ডার। ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পর ২০১৮ বিশ্বকাপে ব্যর্থতা হয় পর্তুগালের সঙ্গী। তবে এরপরের সময়টা দারুণ কেটেছে তাদের। ২০১৯ সালের নেশন্স লিগের চ্যাম্পিয়ন হয় পর্তুগিজরা। কোচ ফের্নান্দো সান্তোসের বর্তমান দলে প্রতিটি পজিশনে মানসম্পন্ন খেলোয়াড় আছে যথেষ্ঠ। আক্রমণভাগে আছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর মতো গোলমেশিন, পারফরম্যান্সে বয়সের ছাপ পড়লেও এখনও নিজের দিনে তিনি একাই গড়ে দিতে পারেন ম্যাচের ভাগ্য। রক্ষণে দিয়াস তো আছেনই, তার সঙ্গী পেপের মতো নির্ভরযোগ্য যোদ্ধা। কিন্তু বিশ্বকাপে ভালো কিছু করতে দলগত পারফরম্যান্সে প্রাধান্য দিচ্ছেন ২৫ বছর বয়সী এই সেন্টার-ব্যাক। “প্রথমত, বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে সফল হতে শক্তিশালী একটা দল প্রয়োজন। বিশ্বের সব বড় বড় ব্যক্তিগত নৈপুণ্যনির্ভর ও শক্তিশালী খেলোয়াড় থাকতে পারে, কিন্তু যেটা আসলেই গুরুত্বপূর্ণ, সেটা হচ্ছে, একটা দল হিসেবে আপনি কতটা শক্তিশালী।” “এটা এমন একটা প্রতিযোগিতা, যেখানে একজন খেলোয়াড়কে অনুভব করতে হবে যে পুরো দেশ তার পেছনে আছে এবং এটা আমি শিখেছিলাম ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ দলে থাকার সময়। এটা বিশেষ কিছু এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে যে অভিজ্ঞতাই আপনি অর্জন করুন না কেন, এটা তার চেয়ে বেশিকিছু। অবশ্যই আমার এখন আরও বয়স হয়েছে, কিন্তু ঐক্যবদ্ধ একটা দেশকে পেছনে পাওয়া বাড়তি শক্তি যোগায়, এই প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার জন্য যেটা প্রয়োজন।” বলা হচ্ছে, এটি পর্তুগালের ইতিহাসের সবচেয়ে মেধাবী দলগুলোর একটি। দিয়াসও তাই মনে করেন। তবে কেবল মেধাবী খেলোয়াড় থাকাই যথেষ্ট নয়, দিয়াস মনে করেন, সবাইকে এক ছাতার নিচে এনে সেরাটা বের করে আনা গুরুত্বপূর্ণ। “কোনো সন্দেহ নেই (এটি পর্তুগালের সবচেয়ে মেধাবী দলের একটি)। পুরোপুরি সৎ থেকে যদি বলিৃআমি মনে করি, এটাই যেকোনো জয়ী দলের গোপন মন্ত্র। কোনো সন্দেহ নেই ব্যক্তিগত দক্ষতা এবং সামর্থ্যগুলো পার্থক্য গড়ে দেয়, কিন্তু দিন শেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, সবাইকে এক সুঁতোয় গাঁথা এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করা। আসল পার্থক্য গড়ে দেয় এটাই।” “এই প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড় আপনার দলে থাকতে পারে, কিন্তু প্রতিটি খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চটা কিভাবে বের করে আনতে হয়, তা না জানলে একটা দল হিসেবে পরিচালনা করতে পারবেন না। লোকে আপনার দলটিকে ¯্রফে সাধারণ একটি দল হিসেবে দেখবে।” আগামী ২০ নভেম্বর শুরু হবে কাতার বিশ্বকাপ। ঘানার বিপক্ষে ২৪ নভেম্বরের ম্যাচ দিয়ে পথচলা শুরু হবে পর্তুগালের। ‘এইচ’ গ্রুপের বাকি দুই দল উরুগুয়ে ও দক্ষিণ কোরিয়া।