May 20, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Wednesday, February 2nd, 2022, 8:07 pm

প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল : লড়াইটা দেশি বনাম বিদেশি কোচেরও

অনলাইন ডেস্ক :

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এএফসি প্রো লাইসেন্স কোর্স হচ্ছে। কোচিং ডিগ্রির পরীক্ষায় স্থানীয় কোচ ছাড়াও অংশ নিয়েছেন বিদেশিরা। দিনকে দিন দেশি কোচদের কোচিংয়ের ওপর পড়াশোনার ঝোঁক বাড়ছে। আর তা কাজে লাগানোর জন্য এবার অনেকের সামনে প্রিমিয়ার লিগ বেছে নেওয়ার সুযোগ। তাই বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলে দেশি কোচদের সঙ্গে বিদেশিদেরও ‘পরীক্ষা’ হবে। দেখা যাবে ডাগ আউটে দাঁড়িয়ে ক্ষুরধার মস্তিষ্কের ব্যবহার। এবারও ক্লাবগুলোতে বিদেশি কোচদের আধিক্য। আবাহনী লিমিটেডে পর্তুগিজ মারিও লেমস, বসুন্ধরা কিংসে স্প্যানিশ অস্কার ব্রুজন, শেখ জামালে স্প্যানিশ হুয়ান মার্তিনেস, মুক্তিযোদ্ধায় মালয়েশিয়ার রাজা ইসা, মোহামেডানে অস্ট্রেলিয়ার শন লেন, পুলিশ এফসিতে রুমানিয়ার অ্যারিস্টিকা সিও ও সাইফ স্পোর্টিংয়ে আর্জেন্টিনার ডিয়েগো আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানি রয়েছেন।
আর স্থানীয়দের মধ্যে চট্টগ্রাম আবাহনীতে মারুফুল হক, শেখ রাসেলে সাইফুল বারী টিটু, স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘে মাসুদ আলম জাহাঙ্গীর, উত্তর বারিধারার সোহেল রহমান ও রহমতগঞ্জে গোলাম জিলানি ডাগ আউটে থাকবেন। প্রিমিয়ার লিগের আগের ১২ আসরে দেখা গেছে বিদেশি কোচদের জয়জয়কার। আবাহনী লিমিটেড সর্বোচ্চ ৬টি শিরোপা জিতেছে। সবক’টি বিদেশি কোচদের হাত ধরে। শেখ জামাল তিনটি জিতেছে। এর মধ্যে দুটি বিদেশি কোচের অধীনে। বসুন্ধরা কিংসের দুটি শিরোপাই স্প্যানিশ কোচের মস্তিষ্ক প্রসূত। এর বাইরে স্থানীয় কোচদের মধ্যে সফল শুধু একজনই। উয়েফা ‘এ’ লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোচ মারুফুল হক। শেখ রাসেল ছাড়াও শেখ জামালের শিরোপা এসেছে তার হাত ধরে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু হওয়া লিগে খেলোয়াড়দের অবস্থান বিবেচনা করলে সাফল্যের দিক দিয়ে বিদেশি কোচরাই এগিয়ে থাকবেন। বিশেষ করে আবাহনী ও বসুন্ধরা। দুই দলেই স্থানীয়দের সঙ্গে উঁচুমানের বিদেশি রয়েছে। শিরোপা লড়াইয়ে এই দুই দলই ফেভারিট।
কে সফল হবেন তা লিগ শেষে পরিষ্কার হবে। তবে দেশি-বিদেশি কোচদের পরীক্ষায় অনেক কিছু যে শেখার আছে তা বলেছেন কেউ কেউ। এই যেমন মোহামেডানের কোচ শন লেনবলেছেন, ‘আমি মনে করি, এতে করে সব ক্লাবের কোচিং স্টাফদের মধ্যে অভিজ্ঞতা অর্জন করার সুযোগ আছে। এখানে বিদেশি বা দেশি বলে কোনও কথা নয়। বিদেশি কোচদের এখানে এসে অনেক কিছু শিখতে হয়। বুঝতে হয়। আর স্থানীয়দের তো আগে থেকেই অভিজ্ঞতা আছে। সবাইকে চেনে জানে। অনেকে সাফল্যও পাচ্ছেন। তবে যাই হোক না কেন, ম্যাচ শেষে কিন্তু সবাই জিততে চায়।’ আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমস একই ঢংয়ে কথা বললেন, ‘আমি আবাহনীতে এসেছি কয়েক বছর হলো। এখানে দেশি কোচদের মধ্যেও সম্ভাবনা আছে। তারা ভালো করছে। এখানে আমাদের যেমন শেখার আছে, তেমনি তাদেরও। মাঠেই তাই পরীক্ষা হয়ে যাবে।’ সাইফুল বারী টিটু দীর্ঘদিন ধরে কোচিং করিয়ে আসছেন। বিদেশি কোচদের কাছ থেকে শেখার আছে বলে মনে করেন জাতীয় দলের এই সাবেক ডিফেন্ডার, ‘বিদেশি কোচদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। তাদের কোচিংয়ের ধরন থেকে অনেক কিছুই নেওয়া সম্ভব। আমি মনে করি শেখার তো শেষ নেই।’

লড়াইটা দেশি বনাম বিদেশি কোচেরও
এফএনএস স্পোর্টস: বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এএফসি প্রো লাইসেন্স কোর্স হচ্ছে। কোচিং ডিগ্রির পরীক্ষায় স্থানীয় কোচ ছাড়াও অংশ নিয়েছেন বিদেশিরা। দিনকে দিন দেশি কোচদের কোচিংয়ের ওপর পড়াশোনার ঝোঁক বাড়ছে। আর তা কাজে লাগানোর জন্য এবার অনেকের সামনে প্রিমিয়ার লিগ বেছে নেওয়ার সুযোগ। তাই বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলে দেশি কোচদের সঙ্গে বিদেশিদেরও ‘পরীক্ষা’ হবে। দেখা যাবে ডাগ আউটে দাঁড়িয়ে ক্ষুরধার মস্তিষ্কের ব্যবহার। এবারও ক্লাবগুলোতে বিদেশি কোচদের আধিক্য। আবাহনী লিমিটেডে পর্তুগিজ মারিও লেমস, বসুন্ধরা কিংসে স্প্যানিশ অস্কার ব্রুজন, শেখ জামালে স্প্যানিশ হুয়ান মার্তিনেস, মুক্তিযোদ্ধায় মালয়েশিয়ার রাজা ইসা, মোহামেডানে অস্ট্রেলিয়ার শন লেন, পুলিশ এফসিতে রুমানিয়ার অ্যারিস্টিকা সিও ও সাইফ স্পোর্টিংয়ে আর্জেন্টিনার ডিয়েগো আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানি রয়েছেন।
আর স্থানীয়দের মধ্যে চট্টগ্রাম আবাহনীতে মারুফুল হক, শেখ রাসেলে সাইফুল বারী টিটু, স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘে মাসুদ আলম জাহাঙ্গীর, উত্তর বারিধারার সোহেল রহমান ও রহমতগঞ্জে গোলাম জিলানি ডাগ আউটে থাকবেন। প্রিমিয়ার লিগের আগের ১২ আসরে দেখা গেছে বিদেশি কোচদের জয়জয়কার। আবাহনী লিমিটেড সর্বোচ্চ ৬টি শিরোপা জিতেছে। সবক’টি বিদেশি কোচদের হাত ধরে। শেখ জামাল তিনটি জিতেছে। এর মধ্যে দুটি বিদেশি কোচের অধীনে। বসুন্ধরা কিংসের দুটি শিরোপাই স্প্যানিশ কোচের মস্তিষ্ক প্রসূত। এর বাইরে স্থানীয় কোচদের মধ্যে সফল শুধু একজনই। উয়েফা ‘এ’ লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোচ মারুফুল হক। শেখ রাসেল ছাড়াও শেখ জামালের শিরোপা এসেছে তার হাত ধরে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু হওয়া লিগে খেলোয়াড়দের অবস্থান বিবেচনা করলে সাফল্যের দিক দিয়ে বিদেশি কোচরাই এগিয়ে থাকবেন। বিশেষ করে আবাহনী ও বসুন্ধরা। দুই দলেই স্থানীয়দের সঙ্গে উঁচুমানের বিদেশি রয়েছে। শিরোপা লড়াইয়ে এই দুই দলই ফেভারিট।
কে সফল হবেন তা লিগ শেষে পরিষ্কার হবে। তবে দেশি-বিদেশি কোচদের পরীক্ষায় অনেক কিছু যে শেখার আছে তা বলেছেন কেউ কেউ। এই যেমন মোহামেডানের কোচ শন লেনবলেছেন, ‘আমি মনে করি, এতে করে সব ক্লাবের কোচিং স্টাফদের মধ্যে অভিজ্ঞতা অর্জন করার সুযোগ আছে। এখানে বিদেশি বা দেশি বলে কোনও কথা নয়। বিদেশি কোচদের এখানে এসে অনেক কিছু শিখতে হয়। বুঝতে হয়। আর স্থানীয়দের তো আগে থেকেই অভিজ্ঞতা আছে। সবাইকে চেনে জানে। অনেকে সাফল্যও পাচ্ছেন। তবে যাই হোক না কেন, ম্যাচ শেষে কিন্তু সবাই জিততে চায়।’ আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমস একই ঢংয়ে কথা বললেন, ‘আমি আবাহনীতে এসেছি কয়েক বছর হলো। এখানে দেশি কোচদের মধ্যেও সম্ভাবনা আছে। তারা ভালো করছে। এখানে আমাদের যেমন শেখার আছে, তেমনি তাদেরও। মাঠেই তাই পরীক্ষা হয়ে যাবে।’ সাইফুল বারী টিটু দীর্ঘদিন ধরে কোচিং করিয়ে আসছেন। বিদেশি কোচদের কাছ থেকে শেখার আছে বলে মনে করেন জাতীয় দলের এই সাবেক ডিফেন্ডার, ‘বিদেশি কোচদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। তাদের কোচিংয়ের ধরন থেকে অনেক কিছুই নেওয়া সম্ভব। আমি মনে করি শেখার তো শেষ নেই।’