October 2, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Tuesday, August 30th, 2022, 8:04 pm

বাঁচতে হলে রুশ সেনাদের ইউক্রেন ছাড়তে হবে: জেলেনস্কি

অনলাইন ডেস্ক :

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, বেঁচে থাকতে চাইলে রুশ সেনাদের অবশ্যই দেশটি থেকে পালাতে হবে। সোমবার রাতে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এভাবেই রুশ সেনাদের সতর্ক করেছেন। খবর বিবিসির। খেরসনের দক্ষিণাঞ্চলের আশপাশে রুশ বাহিনীকে হটানোর বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। জেলেনস্কি বলেন, দুই দেশের মধ্যকার সীমান্ত এখনও বদলায়নি। তিনি বলেন, দখলদাররাও এটা ভালো করেই জানে। ইউক্রেন তাদেরকে এ দেশ থেকে বিতাড়িত করবে। জেলেনস্কি বলেন, কিভাবে পাল্টা আক্রমণ চালানো হবে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো সম্ভব নয় কারণ এটা হবে দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ এবং তাদের কঠোরভাবে লড়াই করে যাচ্ছে। তিনি তার দেশের জনগণের উদ্দেশে বলেন, ইউক্রেন আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে। তিনি বলেন, খারকিভ, লুহানস্ক, দোনেৎস্ক, জাপোরিজঝিয়া, খেরসন, ক্রিমিয়া এবং কৃষ্ণ সাগর ও আজভ সাগরে আমাদের পুরো জলসীমা আমরা অবশ্যই ফিরে পাব। তিনি বলেন, এগুলো আমাদের এবং এটাই ঘটবে। ইউক্রেনে তাদের জন্য কোনো জায়গা নেই। এদিকে ইউক্রেন ছেড়ে রাশিয়া যাওয়া লোকজনকে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আর্থিক সুবিধা সংক্রান্ত একটি ডিক্রিতে শনিবার সই করেন তিনি। ডিক্রির আওতায় পেনশনভোগী, অন্তঃসত্ত্বা ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও আর্থিক সুবিধা পাবেন বলে জানা গেছে। চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যারা ইউক্রেন ভূখন্ড ত্যাগ করতে বাধ্য হয়ে রাশিয়ায় যান, তাদের মাসিক ১০ হাজার রুবল করে পেনশন দেওয়া হবে। ডিক্রিতে আরও বলা হয়, ইউক্রেনের পাশাপাশি দোনেৎস্ক ও লুহানস্কের নাগরিকদের এই আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে। অপরদিকে সোমবার জাপোরিজঝিয়া পারমাণবিক কেন্দ্রে ইউক্রেনের একটি ড্রোন দিয়ে হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছে। ওই ড্রোনটি রুশ বাহিনী গুলি করে ভূপাতিত করেছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, ওই পারমাণবিক কেন্দ্রে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং বিকিরণের মাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। পারমাণবিক কেন্দ্রের বর্জ্য পদার্থ জমা করা হয় এমন একটি ভবনের কাছেই ওই হামলা চালানো হয়। গত মার্চ মাস থেকে ইউরোপের বৃহত্তম জাপোরিজঝিয়া পারমাণবিক কেন্দ্রটি রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে সেখানে কাজ করছে ইউক্রেনীয় কর্মীরাই। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহে এই স্থাপনার ওপর গোলাবর্ষণের কারণে পারমাণবিক দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে বিশ্বজুড়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক স্থাপনার ওপর এই হামলার জন্য রাশিয়া ও ইউক্রেন পরস্পরকে দায়ী করছে।