June 27, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Sunday, May 8th, 2022, 8:06 pm

বিজয় দিবসে ‘প্রলয় সংকেত’ পাঠাবেন পুতিন

অনলাইন ডেস্ক :

রাশিয়া পালন করবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজয়ের ৭৭তম বার্ষিকী। আর বিজয়ের সেই দিবসের কুচকাওয়াজে নেতৃত্ব দেওয়ার সময়ই রুশ প্রেসিডেন্ট ভদ্মাদিমির পুতিন পশ্চিমা বিশ্বকে পাঠাতে চলেছেন ‘প্রলয় সংকেত’। কুচকাওয়াজে তাদের বিশাল অস্ত্রসম্ভার জাহির করার মধ্য দিয়ে এই সংকেত পাঠাবে রাশিয়া। এ দিনটিকে কেন্দ্র করে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে ইউক্রেন। এর মধ্যেই নাগরিকদের রবি থেকে সোমবার নিরাপদে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিটসকো। খবর বিবিসি, এএফপি ও সিএনএনের। কুচকাওয়াজে সেনা, ট্যাঙ্ক, রকেট এবং ব্যালিস্টিক নানা ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শনীর আগে পুতিন রেড স্কয়ারে ভাষণ দেবেন। আর তার এই ভাষণের সময়ই আকাশে চক্কর দেবে রাশিয়ার আইএল-৮০ ‘ডুমসডে’ কমান্ড বিমান। ২০১০ সালের পর এই প্রথম ‘ডুমসডে’ বিমান ওড়াতে চলেছে রাশিয়া। ইলিউশিন আইএল-৮০ মডেলের এই বিমানগুলোকে বলা হয়, ‘প্রলয়ঙ্করী’ বিমান বা ‘কেয়ামতের’ বিমান। রাশিয়ার সবচেয়ে বিপজ্জনক কৌশলগত এই ফাইটার জঙ্গি বিমান পারমাণবিক যুদ্ধে শত্রু নির্মূলের লক্ষ্য নিয়েই তৈরি।
তাছাড়া, পরমাণু যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে স্থলভাগে থাকা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ধ্বংস হয়ে গেলেও এই বিমান উড়ন্ত নিয়ন্ত্রণ কক্ষ হিসেবে কাজ করতে পারে। প্রলয়ঙ্করী বিমান উড়িয়েই পুতিন পশ্চিমাদের প্রলয় সংকেত দিতে চান বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন মোকাবিলায় আরও ১৫ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনের জন্য আরও ১৫ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা ঘোষণা করেছেন। তাছাড়া রাশিয়ার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলো। এ বিষয়ে আজ বৈঠক করবেন তারা। ইউক্রেনের শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা নিয়ে রাশিয়াসহ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে এই সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের খোঁজে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রচেষ্টার প্রতিও সর্বসম্মতভাবে সমর্থন জানিয়েছে রাশিয়া। এ ছাড়া ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলে বোহদুখিভ রেলওয়ে স্টেশনের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে আসা বিশাল সামরিক মজুত ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে রাশিয়া।