July 24, 2024

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Wednesday, March 15th, 2023, 9:59 pm

বিমানবন্দরের সামনে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংয়ে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংয়ে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। ফলে বিমানবন্দরে প্রবেশ এবং বের হতে যাত্রীদের লম্বা সময় যানজটে আটকে থাকতে হয়। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সব সময়ই লেগে থাকে যানবাহনের জটলা। মূলত পার্কিং করা প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও অন্যান্য গাড়ির কারণে এমন জটলা সৃষ্টি হচ্ছে। টাকার বিনিময়ে প্রতিদিনই শত শত গাড়ি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে পার্কিং করা হয়। সেজন্য গাড়ি প্রতি প্রথম ৩ ঘণ্টার জন্য দিতে হয় ১০০ টাকা। আর পরবর্তী প্রতি ঘণ্টার জন্য দিতে হয় ৩০ টাকা। বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, পার্কিং সমস্যার কারণে বিমানবন্দরসহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। তাতে ভোগান্তি পোহাচ্ছে বিমান যাত্রী ও সাধারণ মানুষ। শাহজালাল বিমানবন্দরে গাড়ি পার্কিং এলাকায় ইজারা প্রতিষ্ঠানের লাইনম্যানরা পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণ করেন। দেশের সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর হলেও পার্কিংয়ের ক্ষেত্রে সেখানে সবসময়ই নানা অব্যবস্থাপনা দেখা যায়। অথচ প্রতিদিন শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৪০ থেকে ১৫০টি ফ্লাইট ওঠানামা করে। যাত্রীর সংখ্যা ২০ থেকে ২৫ হাজার। যাত্রীদের বিদায় ও অভ্যর্থনা জানাতে আসে আরো ২৫ থেকে ৩০ হাজার মানুষ। বছরে গড়ে ৬০ লাখ মানুষ ওই বিমানবন্দরে আসা-যাওয়া করে। এ সুযোগে পার্কিংসহ গমনাগমনের বিভিন্ন স্থানে চলছে বড় ধরনের বাণিজ্য।
সূত্র জানায়, ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গাড়ি পার্কিং বাণিজ্য জমজমাট। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো আদায় করা হচ্ছে ফি। এ নিয়ে পার্কিংকারী গাড়ি ও চালকের সঙ্গে ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের প্রায়ই বাকবিত-া ঘটছে। পার্কিং বাণিজ্যের পেছনে ক্ষমতাসীন দলের শক্তিশালী সিন্ডিকেট জড়িত। কার পার্কিংয়ের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নানা অসদাচরণের অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া এয়ারপোর্ট কার রেন্টাল সার্ভিসের গাড়ি ভাড়াও অনেক বেশি। এয়ারপোর্ট কার রেন্টাল সার্ভিসের গাড়ি নিতে গেলে গন্তব্য অনুযায়ী স্বাভাবিক ভাড়ার চেয়ে দুই-তিন গুণ বেশি ভাড়া দিতে হয়।
বিমানবন্দরে যানজটের বিষয়ে পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তরা বিভাগ) নাবিদ কামাল শৈবাল জানান, মূলত উন্নয়ন কার্যক্রমের কারণে রাস্তা অনেকটা সরু হয়ে গেছে। সেজন্য গাড়ি প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় কিছুটা বেশি লাগে। আর যানজট নিরসনে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। একই প্রসঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন জানান, এখন বিমানবন্দরে উন্নয়ন কাজ চলমান। যাত্রীদের চলাচলের সমস্যা হচ্ছে। এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আশা করা যায় দ্রুতই এসব সমস্যা সমাধান হবে।