January 24, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Saturday, January 8th, 2022, 7:56 pm

বড় জয়ে এফএ কাপের চতুর্থ রাউন্ডে ম্যানচেস্টার সিটি

অনলাইন ডেস্ক :

চতুর্থ টায়ারের দল সুইনডনকে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে পরাজিত করে এফএ কাপের চতুর্থ রাউন্ড নিশ্চিত করেছে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে থাকা ম্যানচেস্টার সিটি। দর্শকে ঠাসা কাউন্টি গ্রাউন্ডে ক্লাব ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অঘটনের জন্ম দিতেই মাঠে নেমেছিল উজ্জীবিত সুইনডন। কিন্তু স্বাগতিক সমর্থকদের হতাশ করে বড় পরাজয় নিয়েই তাদের বাড়ি ফিরতে হচ্ছে, প্রতিপক্ষ দলটি যদি ম্যানচেস্টার সিটি তবে তাদের পক্ষে যা কিছুই করা সম্ভব। কালও তার ব্যতিক্রম ছিল না। বার্নান্ডো সিলভা ও গাব্রিয়েল জেসুসের দুই গোলে ২৮ মিনিটেই মধ্যে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সিটিজেনরা। ১৯৯৩-৯৪ মৌসুমে স্বল্প সময়েল জন্য প্রিমিয়ার লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জণ করা সুইনডন তারপর থেকে শুধু কঠিন সময়ই পার করছে। দুই গোলে পিছিয়ে থেকে বাকিটা সময় কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেস্টা করেছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু সিটির দুর্দান্ত ছন্দের কাছে আর পেরে উঠেনি। ১৪ মিনিটে টিনএজার কোল পালমারের ক্রসে সিলভা সিটিকে এগিয়ে দেন। ২৮ মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনার পাস থেকে জেসুস ব্যবধান দ্বিগুন করেন। ৫৯ মিনিটে নিখুঁত ফ্রি-কিকে ইকে গুনডোগান ব্যবধান ৩-০’তে নিয়ে গেলে সুইনডোনের সময় পার করা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না। ৬২ মিনিটে জেসুসের পেনাল্টি শট রুখে দেন সুইনডন গোলরক্ষক লুইস ওয়ার্ড। ৭৮ মিনিটে স্ট্রাইকার হ্যারি ম্যাককার্ডির গোলে এক গোল পরিশোধ করে সুইনডন। করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় কোচ পেপ গার্দিওলাকে ছাড়াই শুক্রবার মাঠে নেমেছিল সিটিজেনরা। একইসাথে নতুন বছরের প্রথম দিনেই আর্সেনালকে হারানোর দলটি থেকে সাত পরিবর্তন করে শুক্রবার সিটির মূল একাদশ সাজানো হয়েছিল। করোনার কারনেই বেশ কিছু খেলোয়াড় দলের বাইওে রয়েছেন। কিন্তু এতে করে নতুনদের সামনে সুযোগ এসেছিল নিজেদের প্রমানের। তেমনই একজন হলেন মিডফিল্ডার পালমার। ১৯ বছর বয়সী এই ইংলিশ মিডফিল্ডার সিটির একাডেমি থেকে মূল একাদশে সুযোগ পেয়েছেন। ডানদিক থেকে তারই এসিস্টে সিলভা প্রথম গোলটি করেন। ম্যাচ শেষে গার্দিওলার সহকারী রোডোল্ফো বোরেল বলেছেন, ‘আমরা প্রতিদিনই তাকে অনুশীলনে রেখেছি। পালমারের মধ্যে দারুন প্রতিভা রয়েছে, যা এখন দৃশ্যমান। আমাদের দলে আরো কিছু প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে। আশা করছি দ্রুতই তারাও সুযোগ পেয়ে নিজেদের প্রমান করবে। দুই বছর আগে যেমন ফিল ফোডেন নিজেকে প্রমান করেছিল।’ প্রায় এক দশক পওে এফএ কাপের তৃতীয় রাউন্ডে খেলার যোগ্যতা অর্জণ করেছিল সুইনডন। যে কারণে কালকের রাতটা ছিল স্বাগতিকদের জন্য বিশেষ এক মুহূর্ত। গত বছরের শুরুতে ক্লাবটি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে দেউলিয়া হবার মত অবস্থা হয়েছিল। যে কারণে লিগ ওয়ান থেকে রেলিগেটেড হয়ে যায়। গত মৌসুমের শুরুতে স্টাফদের বেতন পর্যন্ত দিতে তাদের হিমশিম খেতে হয়েছে। তবে কোচ বেন গার্নারের অধীনে এ বছর সুইনডন দারুন ছন্দে রয়েছে।