July 18, 2024

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Friday, July 7th, 2023, 8:37 pm

যে কারণে চোখের জলে সিটিকে বিদায় জানান জেসুস

অনলাইন ডেস্ক :

দলগতভাবে সফল হলেও ব্যক্তিগতভাবে গাব্রিয়েল জেসুসের ম্যানচেস্টার সিটি অধ্যায় ছিল মিশ্র। শেষের দিকে তো দলেই হয়ে পড়েন অনিয়মিত। এখন খেলছেন আর্সেনালের হয়ে। ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড বলেছেন, সিটি কোচ পেপ গুয়ার্দিওলার ‘অবহেলার’ কারণে তীব্র হতাশা নিয়ে ঠিকানা বদল করেছেন তিনি। ২০২১-২২ মৌসুমে সিটির ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন জেসুস। এরপর গত গ্রীষ্মে আর্সেনালে যোগ দেন তিনি। সিটিতে জেসুসের সবশেষ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের একটি ম্যাচের পরই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন দল ছাড়ার। ম্যাচটি ছিল গ্রুপ পর্বে, পিএসজির বিপক্ষে। ওই লড়াইয়ে শুরুর একাদশে জায়গা হয়নি জেসুসের। ১-০ তে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় বদলি হিসেবে নেমে একটি গোল করে ও অন্যটি করিয়ে দলকে জেতান ২৬ বছর বয়সী এই ফুটবলার। তবে শুরুর একাদশে জায়গা না পেয়ে হতাশা পেয়ে বসে জেসুসকে।

কোনো কারণ ছাড়া এভাবে একাদশ থেকে ছিটকে যাওয়া মেনে নিতে পারেননি তিনি। সম্প্রতি দেনিলসন শো পডকাস্টে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন জেসুস। সেখানে উঠে আসে সিটি ছাড়ার কারণ। এর জবাবে ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার বলেন, গুয়ার্দিওলার কাছে যথেষ্ট গুরুত্ব না পাওয়া থেকেই ওই সিদ্ধান্ত নেন তিনি। “(পিএসজির বিপক্ষে ম্যাচে) তিনি (পেপ গুয়ার্দিওলা) জিনচেঙ্কোকে ফলস নাইন হিসেবে খেলান। পাগলাটে কা-। ম্যাচের আগের দিন তিনি (জিনচেঙ্কোকে) অনুশীলনেও ব্যবহার করেনি, সেখানে তিনি আমাকে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলান। জিনচেঙ্কো আমাকে এমনকি ঠাট্টা করে বলেছিল, সেদিন তোমার জন্য আমার খারাপ লাগছিল।” “তিনি (গুয়ার্দিওলা) আমাদের একাদশ জানালেন, এরপর কষ্টে আমি কিছুই খেতে পারিনি। আমি কাঁদতে কাঁদতে সোজা রুমে চলে গিয়েছিলাম। আমি আমার মাকে ফোন করে বলেছিলাম, ‘আমি ক্লাব ছাড়তে চাই।’ তিনি আমার জায়গায় একজন লেফট-ব্যাককে খেলিয়েছিলেন। আমার মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছিল।”

জেসুস আরও বলেন, এমন ঘটনা আগে-পরেও হয়েছে তার সঙ্গে। “তার সাথে এমন ঘটনা আরও অনেক ছিল এবং এটি সহজ নয়। এজন্যই আমি সিদ্ধান্ত নেই যে আমি আর থাকতে চাই না এবং আমি চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই।” জেসুসের পর সিটি ছেড়ে আর্সেনালে নাম লেখান অলেকসান্দার জিনচেঙ্কোও। প্রিমিয়ার লিগে অনেকটা সময় ধরে শিরোপার লড়াইয়ে থাকার পর রানার্সআপ হয় মিকেল আর্তেতার দল। চ্যাম্পিয়ন হয় সিটি।