June 27, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Sunday, May 22nd, 2022, 7:45 pm

রাংনিকের দাবি ‘ছাড়’ দিতে গিয়ে আগ্রাসী হতে পারিনি

অনলাইন ডেস্ক :

হাই প্রেসিং ফুটবলের জন্য রালফ রাংনিকের বেশ সুনাম রয়েছে। কিন্তু ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে এই কৌশলে খেলাতে পারেননি তিনি। জার্মান কোচের দাবি, খেলোয়াড়দের শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণেই এটা সম্ভব হয়নি। এমনকি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোও এই ধরনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেননি, বলেছেন তিনি। গত নভেম্বরে উলে গুনার সুলশার ছাঁটাই হওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে ইউনাইটেডের দায়িত্ব নেন রাংনিক। ৬৩ বছর বয়সী এই কোচও দলটিকে জাগিয়ে তুলতে পারেননি। কোনো সাফল্য ছাড়াই মৌসুম শেষ করতে যাচ্ছে ‘রেড ডেভিলস’ খ্যাত দলটি। শেষ রাউন্ডের আগে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে প্রিমিয়ার লিগের টেবিলে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে ইউনাইটেড। আগামী মৌসুমে ইউরোপা লিগে খেলতে হলে রোববার শেষ রাউন্ডে ক্রিস্টাল প্যালেসকে হারাতে হবে তাদের। নতুন মৌসুমের জন্য অবশ্য আগেই এরিক টেন হাগকে নিয়োগ দিয়েছে ইউনাইটেড। ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ইংলিশ দলটির দায়িত্ব সামলাবেন আয়াক্সের সফল এই কোচ। রাংনিক দুই বছরের জন্য অস্ট্রিয়া জাতীয় দলের কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এরই মধ্যে। তবে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের দলটির পরামর্শকের ভূমিকাতেও থাকবেন তিনি। ক্রিস্টালের বিপক্ষে ম্যাচটাই ইউনাইটেডের ডাগআউটে শেষ ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাংনিকের। তার আগে গণমাধ্যমে আরও একবার কথা বললেন মৌসুমে দলের ব্যর্থতা প্রসঙ্গে। ব্যর্থতার দায় মেনে নিয়ে না পারার পেছনের যুক্তিও দিয়েছেন তিনি। “আমি একমত, আমরা কখনোই সেই আক্রমণাত্মক, দাপুটে ফুটবল খেলার ধারেকাছেও যেতে পারিনি। আমরা যদি এই ধরনের ফুটবল খেলতে চাইৃতাহলে সেটার জন্য শারীরিক শক্তিরও সম্পর্ক আছে।” “লিভারপুলে ইয়ুর্গেন ক্লপের প্রথম মৌসুমে তারা এই ধরনের ফুটবল খেলতে পারেনি। এভাবে খেলার জন্য তাদের দেড় মৌসুম সময় লেগেছে। শেষ পর্যন্ত তারা (ক্লপের কোচিংয়ে প্রথম মৌসুমে) অষ্টম স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করেছিল।” চলতি মৌসুমে ইউনাইটেডের সর্বোচ্চ গোলদাতা রোনালদো। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ২৪ গোল করেছেন তিনি। এরপরও অবশ্য প্রতিপক্ষের ওপর চাপ তৈরি করতে অনেক সময়ই ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। রাংনিক বলছেন, বাধ্য হয়ে নিজের কৌশলের সঙ্গে আপোশ করতে হয়েছিল তাকে। “ক্রিস্তিয়ানো কিছু গোল করেছে। কিন্তু, আবারও বলতে হচ্ছে, ক্রিস্তিয়ানো- আমি তাকে মোটেও দোষ দিচ্ছি না। সে ওই ম্যাচগুলোতে দারুণ ছিল-কিন্তু প্রতিপক্ষকে চাপ দেওয়ার ক্ষেত্রে সে বিপজ্জনক নয়।” “আরও বেশ কিছু খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রে বিষয়টা একই। তাই একটা পর্যায়ে আমাদের অনেক ছাড় দিতে হয়েছে। বল পায়ে ও বল ছাড়া খেলায় আমাদের যেটা প্রয়োজন, আমরা কখনোই সঠিক সেই ভারসাম্য খুঁজে পাইনি।” রাংনিক অবশ্য মেনে নিয়েছেন, খেলোয়াড়দের থেকে সেরাটা বের করতে তার ও তার কোচিং স্টাফের আরও বেশি কিছু দেওয়ার ছিল। তাই ব্যর্থতার জন্য শুধু খেলোয়াড়দের দায়ী করতে চান না তিনি।