December 2, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Sunday, October 16th, 2022, 7:47 pm

সভাপতি হিসেবে সৌরভের সেরা পাঁচ কীর্তি

অনলাইন ডেস্ক :

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সভাপতি হিসেবে মেয়াদ শেষের দ্বারপ্রান্তে সৌরভ গাঙ্গুলি। নতুন সভাপতি হতে যাচ্ছেন রজার বিনি। এদিকে সৌরভের বিদায় নিশ্চিত হতেই ভারতের কিছু গণমাধ্যমে বলা হয়, বোর্ড সভায় নাকি সৌরভের প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। যদিও বিসিসিআই এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আসলে সভাপতি হিসেবে সৌরভ এমন কিছু উদ্যোগ নিয়েছেন, যেগুলোর মাঝেই তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
১. করোনার মাঝে আইপিএল আয়োজন : মহামারিতে ক্রিকেট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বেশ কিছু দেশের ক্রিকেট বোর্ডের আয়-রোজগারেও টান পড়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার মতো ধনী ক্রিকেট বোর্ডও কর্মী ছাঁটাই থেকে শুরু করে ক্রিকেটারদের বেতন কমাতে বাধ্য হয়েছিল। এর মাঝেই আইপিএল আয়োজনের সাহসী সিদ্ধান্ত নেন সৌরভ গাঙ্গুলি। যদিও এর কৃতিত্ব দেওয়া হয় সচিব জয় শাহকে। এই আইপিএল দিয়েই বিসিসিআই আর্থিক সংকটে পড়েনি।
২. মেয়েদের আইপিএল : প্রশাসক হিসেবে পুরুষ ক্রিকেট দল তো বটেই, মেয়েদের ক্রিকেটকেও সমান চোখে দেখেছেন সৌরভ। মেয়েদের আইপিএলের দাবি ছিল অনেক দিনের। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে সৌরভ ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী বছরের শুরুর দিকেই মেয়েদের আইপিএল আয়োজন করা হবে। সৌরভের আমলেই একাধিক ভারতীয় নারী ক্রিকেটার মেয়েদের বিগ ব্যাশে অংশ নিয়ে নিজেদের প্রমাণ করেছেন।
৩. নারী ক্রিকেটের উন্নয়ন : সার্বিকভাবে সৌরভ গাঙ্গুলির আমলেই নারী ক্রিকেটের চোখে পড়ার মতো উন্নতি হয়েছে। কমনওয়েলথ গেমসে নারী দল রুপা জিতেছে। সদ্যঃসমাপ্ত এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন হরমনপ্রীত, জেমিমা রদ্রিগেজরা। একাধিক নারী ক্রিকেটার এর পেছনে কৃতিত্ব দিয়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলিকে।
৪. লক্ষ্মণ-দ্রাবিড়কে জাতীয় দলে যুক্ত করা : জুনিয়র পর্যায়ে কোচিং করিয়ে আলোচনায় ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। এনসিএর ডিরেক্টর হিসেবে উঠতি প্রজন্মের ক্রিকেটার তৈরির কাজেও তিনি সফল। সেই দ্রাবিড়কেই ভারতের জাতীয় দলের কোচ হিসেবে নিয়োগ দেন সৌরভ। আর দ্রাবিড়ের ছেড়ে যাওয়া এনসিএ ডিরেক্টর পদে নিয়োগ দেন আরেক সাবেক তারকা ভিভিএস লক্ষ্মণকে।
৫. বিশাল অঙ্কের মিডিয়া স্বত্ব বিক্রি : ২০২৩ থেকে পাঁচ বছরের জন্য আইপিএলের মিডিয়া স্বত্ব বিক্রি হয়েছে ৪৮,৩৯০ কোটি রুপিতে। এই বিপুল অঙ্কের চুক্তির কারণেই আইপিএল বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ক্রীড়া লিগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ম্যাচপিছু আয়ের নিরিখে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগকেও পেছনে ফেলে দিয়েছে আইপিএল!