December 9, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Thursday, October 6th, 2022, 8:22 pm

সিলেটে সড়ক সংস্কারের কাজ দুই মাসের মধ্যে শুরু

জেলা প্রতিনিধি, সিলেট :
চলতি বছরের জুন-জুলাই মাসে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা হয় সিলেট বিভাগে। এতে বিভাগের প্রায় সব সড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচল করছে বেশ ঝুঁকি নিয়ে। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। অনেক জায়গায় খানাখন্দ তৈরি হওয়ায় জমে থাকছে বৃষ্টির পানি। ফলে দুর্ভোগে পোহাচ্ছেন।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সিলেটে সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনের ৩১টি রাস্তা মেরামতের জন্য ৬৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষের দিকে, আগমী দুই মাসের মধেই কাজ শুরু হবে এবং ২০২৩ সালের মধ্যে সকল রাস্তা মেরামতের কাজ শেষ হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে।
সড়ক ও জনপথ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, এবারের ভয়াবহ বন্যার পানিতে সিলেটের বেশিরভাগ সড়কই তলিয়ে যায়। বিভিন্ন স্থানের সড়কগুলোর উপর ২ থেকে ৫ ফুট পর্যন্ত উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হয়। বিশেষ করে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার রাস্তা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যায় সড়কের বিভিন্ন স্থানের বিটুমিন উঠে ভেসে গেছে। কোথাও কোথাও সড়কের কিনারের মাটি ধ্বসে গেছে। বিভিন্ন সেতু ও কালভার্টের অ্যাপ্রোচ সড়কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বন্যা শেষ হওয়ার পর সওজের সিলেট জোনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাসমূহের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে সওজের প্রধান প্রকৌশলীকে প্রতিবেদন পাঠানো হয়। এরই প্রেক্ষিতে বিভাগের ৩১টি রাস্তা মেরামত করতে ৬৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সিলেট-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বিভাগের ৩১টি রাস্তা মেরামত করতে ৬৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শেষের দিকে। আগামী দুই মাসের মধ্যেই সড়কের সংস্কারকাজ শুরু হবে। রাস্তার দৈর্ঘ্য অনুযায়ী কাজের সময় ধরা হয়েছে। সেক্ষেত্রে কোনো কোনো রাস্তা সংস্কারে ছয় থেকে এক বছর সময় লেগে যেতে পারে। আগমী বছরের বর্ষার আগে বিভাগের সকল রাস্তা আগের অবস্থান নিয়ে আসা হবে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে এসব রাস্তা আগের চেয়ে সুন্দর হবে বলে মন্তব্য করেন এই কর্মকর্তা।
মোস্তাফিজুর রহমান আরো জানান- সিলেটে যেহেতু ঘন ঘন বন্যা হয়, তাই কিছু কিছু জায়গায় টেকসই উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়া চলমান। যে সকল রাস্তা বন্যায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেসব রাস্তা কীভাবে আরো মজবুত করা যায় সেটি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করা হচ্ছে।