অনলাইন ডেস্ক :
চট্টগ্রাম নগরীর আকবর শাহের উত্তর কাট্টলী এলাকায় আবাসিক ভবনের গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ একই পরিবারের ছয়জনের মধ্যে গৃহকর্ত্রী সাজেদা বেগম মারা গেছেন। এই ঘটনায় দগ্ধ আরও ৩ জনের অবস্থা আশংকাজনক। অপরদিকে নিজের দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ভবনের মালিককে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাজেদা বেগমের মৃত্যু হয়। চমেক পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক নুরুল আলম আশেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘দগ্ধদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাজেদা বেগমের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়েছে। তা ছাড়া আগুনে তার শ্বাসনালিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
তিনি বলেন, আহতদের মধ্যে সাজেদা বেগমের ছেলে স্বাধীন শেখ, জীবন শেখ ও পুত্রবধূ দিলরুবার অবস্থা আশংকাজনক। তাদের শরীরের ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে ভবন মালিকের গাফিলতিকে দায়ী করেছিলেন ভুক্তভোগী পরিবারের কর্তা জামাল শেখ। এনিয়ে তিনি আকবরশাহ থানায় ভবন মালিক মমতাজ মিয়া ও কেয়ারটেকার বখতিয়ারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার রাতে মমতাজ মিয়াকে আটক করেন।
এই বিষয়ে আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহির হোসেনকে বলেন, জামাল শেখের মামলার ভিত্তিতে পুলিশ রাতেই বাড়ির মালিককে গ্রেপ্তার করেন। আর বাড়ির কেয়ারটেকারকে আটকের চেষ্টা চলছে।
এর আগে সোমবার (১লা নভেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে আকবর শাহ থানাধীন উত্তর কাট্টলী এলাকায় মরিয়ম ভিলা নামের একটি ভবনের ষষ্ঠ তলায় একটি ফ্ল্যাটে গ্যাসের লাইনের লিকেজ থেকে আগুন লাগে। এই ঘটনায় একই পরিবারের ছয়জন দগ্ধ হয়। গত বছরের এমন দিনে একই ফ্ল্যাটে এভাবে রহস্যজনকভাবে আগুন ধরে। তাতে মোট ৯ জন দগ্ধ হলেও তিনজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
আরও পড়ুন
আশুলিয়ায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ২
তিস্তার পানি কমতে থাকলেও বেড়েছে ভাঙন আতঙ্ক
সিরাজগঞ্জে দ্রুত গতিতে বাড়ছে যমুনার পানি