November 29, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Wednesday, October 12th, 2022, 8:16 pm

পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনালে বিনিয়োগে সৌদি কোম্পানির আগ্রহ প্রকাশ

তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল কোম্পানি বাংলাদেশের চট্টগ্রামে পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিকায়নে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

মঙ্গলবার জেদ্দায় নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান আমের এ আলিরেজা এই প্রস্তাব দেন।

রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি) হলো জেদ্দা ইসলামিক বন্দরের নতুন ফ্ল্যাগশিপ কন্টেইনার টার্মিনাল, সৌদি শিল্প পরিষেবা গ্রুপ সিসকো দ্বারা পরিচালিত একটি বিশ্বমানের টার্মিনাল, সেইসঙ্গে প্রথম বেসরকারিভাবে অর্থায়নকৃত বিওটি (নির্মাণ, পরিচালনা এবং স্থানান্তর) উন্নয়ন প্রকল্প। সৌদি আরব ২০৫০ সাল পর্যন্ত এক দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে।

সৌদি কোম্পানি একটি আন্তর্জাতিক টার্মিনাল পরিচালনাকারী যা সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল এবং মালয়েশিয়ান মাইনিং কোম্পানির (এমএমসি) মধ্যে অংশীদারিত্বের প্রতিনিধিত্ব করে।

বুধবার রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল কোম্পানির প্রধান কার্যালয় এবং কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন।

পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনালের আধুনিকীকরণের জন্য কোম্পানির সিইও জেনস ও. ফ্লোয়েন এবং কোম্পানির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী জেদ্দা ইসলামিক বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

গত বছর সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অধীনে বাংলাদেশে পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনালের আধুনিকীকরণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

এ সময় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান এবং সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।

সফরকালে প্রতিমন্ত্রী সৌদি আরবের যোগাযোগমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার কথা রয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত এসা বিন ইউসুফ আল দুহাইলান বলেন, শান্তি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অনুকূল আইন এবং ভালো প্রণোদনার কারণে সৌদি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

—-ইউএনবি