September 29, 2022

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Tuesday, November 9th, 2021, 4:39 am

সড়ক ও বিমানপথে পর্যটকের ঢল নামবে বলে আশা যুক্তরাষ্ট্রের

ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক :

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বিভিন্ন দেশে গণটিকাদান কর্মসূচির ব্যাপক বিস্তৃতির পর সীমান্ত খুলে দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র আশা করছে, এবার সড়ক ও বিমানপথে দেশটিতে পর্যটকের ঢল নামবে। মার্কিন বেসামরিক বিমান পরিবহন সংস্থা ইউনাইটেড এয়ারলাইনস বলছে, সোমবার তারা গেল সপ্তাহের চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি যাত্রী পরিবহন করবে যাদের অধিকাংশই পর্যটক। গত সপ্তাহে সোমবার এই বিমান সংস্থাটি ২০ হাজার পর্যটক নিয়ে এসেছিল যুক্তরাষ্ট্রে। ডেল্টা এয়ারলাইনসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যাড বাস্তিয়ান বলেছেন, বিমানবন্দরে পর্যটকের সারি এতটাই লম্বা হতে পারে যে সব আনুষ্ঠানিকতা সারতে বেশ সময় লাগবে যাত্রীদের। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘প্রথমদিকে গোটা ব্যাপারটা কিছুটা এলোমেলা হতেই পারে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে লম্বা সারিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হবে যাত্রীদের। কিন্তু আমরা এটা খুব তাড়াতাড়িই সমাধান করে ফেলব।’ ডেল্টা এয়ারলাইনস বলছে, ছয় সপ্তাহ আগে সীমান্ত খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত এসেছিল। এরপর নানা দেশ থেকে পর্যটক আগমনের চাপে সাম্প্রতিক সময়ে তাদের টিকিট বিক্রির পরিমাণ ৪৫০ গুণ বেড়ে গেছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কেভিন মুনোজ টুইটারে বলেন, ‘বিমান ও স্থলপথে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় আমরা এখন পর্যটকের ঢলের প্রত্যাশা করছি। তাদের জন্য অতিরিক্ত যা কিছু করতে হবে তার পদক্ষেপও আমরা নিয়েছি।’ পর্যটকদের আনাগোণায় বাইডেন প্রশাসন ইতোমধ্যে সবগুলো বিমানবন্দরে বার্তা দিয়ে রেখেছে বলেও জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ। কিছু নিষেধাজ্ঞাও আরোপিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে আগত পর্যটকদের ওপর। মেক্সিকো বা কানাডা থেকে সড়কপথে বা ফেরিতে করে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা যাবে না বলে শর্ত জুড়ে দিয়েছে প্রশাসন। ইউরোপের ২৬টি সেনজেন দেশ ছাড়াও চীন, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইরান, ব্রাজিল, ব্রিটেন এবং আয়ারল্যান্ড হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করবেন কিন্তু মার্কিন নাগরিক নন তাদের জন্যই এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হয়েছে। ইউএস ট্রাভেল দাবি করেছেন, করোনাভাইরাস মহামারি শুরু হওয়ার পর ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে এ পর্যন্ত ৩০০ বিলিয়ন ইউএস ডলারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। মার্কিন বিমান পরিবহন সংস্থাগুলো করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সমস্ত পরীক্ষা নিরীক্ষার ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে। ইউরোপের দেশগুলো থেকে আসা ফ্লাইটগুলো যাত্রীতে পূর্ণ থাকছে।